২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দেশে ফেরেননি সাকিব আল হাসান। ঘরের মাটিতে জাতীয় দল জার্সিতে অবসর নেয়ার ইচ্ছে থাকলেও তা আর হয়নি। দেড়বছর পর তাকে দলে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
শনিবার বিসিবির বোর্ড সভায় সাকিবকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত হয়। প্রতিক্রিয়া জানতে কিংবদন্তি অলরাউন্ডারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে চ্যানেল আই। সাকিব বলেন, ‘চ্যানেল আইয়ের সংবাদে বিষয়টি দেখেছি, একটু ধীরেসুস্থে প্রতিক্রিয়া জানাবো।’
শনিবার রাতে বোর্ডসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাকিবকে ফেরানোর বিষয়টি জানান বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন।
বলেন ‘আমাদের বোর্ডে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং বোর্ড সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, সাকিব আল হাসানকে সময়মতো পাওয়া, ফিটনেস এবং এক্সেসিবিলিটি আর যেখানে খেলা হবে ওখানে যদি উপস্থিত থাকার মতো অবস্থা থাকে, অবশ্যই বোর্ড বা নির্বাচক কমিটি সাকিবকে পরবর্তীতে নির্বাচনের জন্য বিবেচনা করবে। সাকিব যাতে অন্যান্য বৈশ্বিক টুর্নামেন্টগুলোতে অংশগ্রহণ করতে পারে, বোর্ড এনওসি দেবে প্রয়োজন মতো।’
আমজাদ জানান, সাকিবকে কেন্দ্রীয় চুক্তির প্রস্তাবও করেছে বিসিবি। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আইনি বিষয়গুলো নিয়ে বোর্ড সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবে।
বিশ্বকাপ ইস্যুর মধ্যে সাকিবের প্রসঙ্গ কীভাবে আসলো সেটা নিয়ে বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর বলেন, ‘আমাদের একটা এজেন্ডা ছিল ক্রিকেট অপারেশন্সে যে, আমাদের ২৭ জন চুক্তিবদ্ধ হবে সেখানে খেলোয়াড় তালিকা নিয়ে। গ্রেড এ, বি, সি যেগুলো ছিল। তখন আলোচনা প্রসঙ্গে আমাদের একজন পরিচালক আলোচনা সাপেক্ষেই প্রস্তাবটা দিয়েছেন যে, সাকিব আল হাসান আগ্রহী এবং সাকিবের সাথে কথা হয়েছে আমাদের, সে খেলতে চায়। সভাপতিকে (আমিনুল ইসলাম) বলা হয়েছে এই বিষয়টা সরকারের সাথে যোগাযোগ করার ব্যাপারে। তার ব্যক্তিগত যে ইস্যুগুলো আছে তার নিজস্ব, সেগুলো যদি সরকার অনুমোদন করে বা সরকার কীভাবে ফেস করবে সেটা সরকারের বিষয়। কিন্তু আমরা বোর্ডের পক্ষ থেকে সাকিবকে চেয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাকিবের ব্যক্তিগত ইস্যুগুলো কীভাবে কী হবে এটা আলাদা ব্যাপার, সরকারের বিষয়। আমরা বোর্ডের পক্ষ থেকে সাকিবকে চেয়েছি। আমাদের বোর্ডের যে চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের তালিকা হবে, সেখানে আমরা সাকিবকে রাখার প্রস্তাব রেখেছি। সাকিব দেশে এসে অবসর নেবে, এটা তার একটা ইচ্ছা। সাকিব একটা ব্র্যান্ড, এমন খেলোয়াড় আমরা আর ১০০ বছরেও পাব না।’







