সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ। কিন্তু এখনও দেশের মাটিতে সাকিবের শেষ টেস্ট খেলার ইচ্ছা নিয়ে চলছে আলোচনা। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের মধ্য দিয়ে বিদায় নিতে চেয়েছিলেন সাকিব। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সময়ে দুবাই এসে ফিরে যেতে হয়েছে হত্যা মামলায় নাম ওঠা তারকাকে। বুধবার বোর্ড মিটিং শেষে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ বললেন, যেহেতু সাকিব আসেনি বোর্ডের পক্ষ থেকেও কিছু করার নেই।
মিরপুরে বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে সাকিব প্রসঙ্গে ফারুক বলেছেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি সাকিব যেন দেশ থেকে অবসর নিতে পারে। যেহেতু সাকিব এমপি ছিল, এখানে আইন-শৃঙ্খলার বিষয় ছিল, সাকিব আসলে বোর্ড নিরাপত্তা দিতো। যেহেতু সে আসে নাই, এখানে বোর্ডের কিছু করার নাই।’
আলোচনায় আছে শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে খেলতে আগ্রহী সাকিব। এ প্রসঙ্গে বোর্ড প্রধান বলেছেন, ‘আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের জন্য যেহেতু টিম দেয় নাই, এখনও সম্ভাবনা আছে।’
সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজটি খেলতে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দিলেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ফিরে যেতে হয়েছে সাকিবকে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে তাকে দেশে না ফেরার পরামর্শ বিসিবিকে দেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পতিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাকিব। গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর একটি হত্যা মামলায় এজহারভুক্ত আসামী করা হয় তাকে। তার আগে থেকেই দেশের বাইরে ছিলেন সাকিব। সরকার পতন ও মামলা দায়েরের পর থেকে আর দেশে ফেরেননি।








