চট্টগ্রামে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২০০৭ সালে টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন সাকিব আল হাসান। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে দিয়েছেন ১৭ বছর। ঘরের মাঠে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলেন ৩৭ বর্ষী অলরাউন্ডার। কিন্তু সাকিব দেশেই আসতে পারেননি। লাল-সবুজের দলে অভিজ্ঞ তারকা না থাকায় স্বস্তি সাউথ আফ্রিকা দলে।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ দুই ম্যাচের সিরজে প্রথমটিতে সোমবার প্রোটিয়াদের মুখোমুখি হবে টিম টাইগার্স। বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় শুরু মাঠের লড়াই।
আগেদিন সংবাদ সম্মেলনে আসেন প্রোটিয়া অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। ডানহাতি ওপেনারের কাছে প্রশ্ন যায় সাকিবকে মিস করবেন কিনা? জবাবে ৩০ বর্ষী মার্করাম বলেছেন, ‘সেভাবে মিস করবো না। সে খুব ভালো বোলার, ভালো খেলোয়াড়। ওয়ার্ল্ড ক্লাস প্লেয়ার। অনেক বছর ধরে খেলছে। তাকে মোকাবেলা করতে হবে না, এটা অবশ্যই স্বস্তির। তার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
‘তাদের এখনকার স্কোয়াডও অনেক শক্তিশালী, ভালো ভালো স্পিনার আছে। বিশেষ করে এই হোম কন্ডিশনে। কোনো সন্দেহ নেই, আমাদের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। কঠিন এবং রোমাঞ্চকর কয়টা দিন অপেক্ষা করছে।’

এর আগে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজটি খেলতে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দিলেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ফিরে যেতে হয়েছে সাকিবকে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে তাকে দেশে না ফেরার পরামর্শ বিসিবিকে দেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাকিব। গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর একটি হত্যা মামলায় এজহারভুক্ত আসামী করা হয় সাকিবকে। তার আগে থেকেই দেশের বাইরে ছিলেন তিনি। সরকার পতন ও মামলা দায়েরের পর থেকে আর দেশে ফেরেননি।








