মানুষের ঢলে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা। পুরো ঢাকা শহর থেকে দলে দলে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে যোগ দিয়েছেন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আজ শনিবার দুপুর থেকেই শহীদ মিনারে আসতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেন শিক্ষকসহ নানান শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মানুষের ঢল শহীদ মিনার এলাকা ছাপিয়ে চাঁনখারপুল মোড়, দোয়েল চত্বর, জগন্নাথ হল মোড় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল টাওয়ার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।
শহীদ মিনার এলাকায় শিক্ষার্থীরা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে,’ ‘জাস্টিস জাস্টিস উই ওয়ান্ট জাস্টিস,’ ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দিবো রক্ত,’ ‘স্বৈরাচারের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে,’ ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো,’ ‘বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর,’ এসব স্লোগান দিচ্ছেন।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাশাপাশি জড়ো হচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধারাও৷
শহীদ মিনারের মূল বেদি এবং সংলগ্ন সড়কে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন তারাও।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীরা বলেন, আমার শত শত ভাই বোনকে মেরেছে। আমাদেরকে রাজাকার বলা হয়েছে। এমন দুঃসাহস রুখে দিয়ে আমরা তাদের দেখাতে চাই ছাত্রসমাজ জাগলে সব উল্টে যায়। এটা প্রমাণ করে ছাড়ব আমরা।
গতকাল শুক্রবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ এক ভিডিও বার্তায় আজকের কর্মসূচি ঘোষণা দেন। একইসঙ্গে রবিবার থেকে ‘সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি’ ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা৷








