জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাণিক মুনসীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসাথে তাকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের প্রভাষক আবু শাহেদ ইমনকে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাকেও কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না তা জানতে চেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের তিনজন শিক্ষককের পদোন্নতি স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী এই ফোরাম।
বুধবার ৩ এপ্রিল উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য নিশ্চিত করেন।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. নূরে আলম আব্দুল্লাহ বলেন, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাণিক মুনসীর বিরুদ্ধে নিজ বিভাগের ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই সিন্ডিকেটে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও কেন তাকে স্থায়ী বরখাস্ত করা হবে না, সেই জবাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আবু শাহেদ ইমন সম্পর্কে তিনি বলেন, এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পাওয়ায় সিন্ডিকেট সভায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের প্রভাষক আবু শাহেদ ইমনকে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কেন স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না, সেই জবাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগেই তাকে সাময়িক বহিষ্কার ও প্রথম নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগের দু’শিক্ষকের বিরুদ্ধে গবেষণা চুরি ও একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে পদোন্নতি গ্রহণের অভিযোগে পদোন্নতি স্থগিত করেছে সিন্ডিকেট। ওই বিভাগের অভিযুক্ত তিনজন শিক্ষক হলেন- মো. আব্দুস সালাম, মো. জসিম খান এবং মর্জিনা খাতুন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. আইনুল ইসলাম বলেন, দর্শন বিভাগের তিন শিক্ষকের পদোন্নতি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের গবেষণা চুরির বিষয়টি বিভিন্ন জাতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচার হওয়ার ফলে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।







