চট্টগ্রাম বন্দর মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার শেলীর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন নামে একটি সংগঠন।
সোমবার ১৭ এপ্রিল সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ সাক্ষরিত একটি বিবৃতি পাঠান গণমাধ্যমে কাছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ফেসবুকে মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের জেরে চট্টগ্রাম বন্দর মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার শেলীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মমিনুর রশিদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সেলিনা আক্তার শেলীকে বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়।বরখাস্তের ওই আদেশে বলা হয়, ওই শিক্ষকের আচরণ “ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট-২০১৮ এর ২৮ ও ৩১ ধারা অনুযায়ী ফৌজদারী অপরাধ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নীতিমালা ২০১৯ এর বিধি ৬ দশমিক ২ ও বিধি ১০ এর সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন এবং বন্দর চাকরি প্রবিধানমালা ১৯৯১ এর ৩৯ (খ) মোতাবেক সুষ্পষ্ট অসদাচরণ এবং গুরুদণ্ডযোগ্য অপরাধ।” বাংলাদেশে প্রশাসন এবং কিছু সাম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করে আসছে।
এই বিবৃতিতে চট্টগ্রাম বন্দর মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার শেলীর সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বাতিল এবং তাকে স্বপদে বহালের দাবি জানানো হয়।







