মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর গায়েবানা জানাযাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারের পেকুয়ায় সহিংস ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পেকুয়ায় পুলিশের কাজে বাধা ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৃথক দু’টি মামলা দাযের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওমর হায়দার।
প্রতিটি মামলায় ১৫১ জনকে প্রত্যক্ষ আসামী করা হয়েছে। পুলিশ এসল্ড মামলায় অজ্ঞাত দু’হাজার এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় অজ্ঞাত দেড় হাজার জনকে আসামী করা হয়েছে। দু’টি মামলায় প্রধানতম আসামী পেকুয়া সদর জামায়াতের আমীর নুরুজ্জামান মনজু, বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা বদিউল আলম ও উপজেলা জামায়াত আমীর আবুল কালাম। মামলা দুটির বাদি এসআই মুফিজুল ইসলাম।
অপরদিকে চকরিয়ায় পুলিশের ওপর হামলা ও দোকানী নিহতের ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসআই ফোরকানুল ইসলাম বাদি হয়ে পুলিশের কাজে বাঁধা অভিযোগ এনে করা মামলায় অজ্ঞাত নামা দুই থেকে তিন হাজার জনকে আসামী করা হয়েছে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মামলায় ৭৫ জন এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাত নামা আসামী হয়েছেন আরো কয়েকশ জন।
এছাড়াও দোকানী ফোরকানুল ইসলাম (৬০) নিহতের ঘটনায় তার স্ত্রী বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এতে অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে তিনি মারা গেছেন উল্লেখ করা হলেও আসামীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। বুধবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় মামলাগুলো নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চকরিয়া থানার ওসি জাবেদ মাহমুদ।
এর আগে মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) সাঈদীর গায়েবানা জানাজা পড়ে ফেরার পথে পেকুয়ার বারবাকিয়া ও চকরিয়ার চিরিংগা বাজারে লামার চিরিঙ্গা এলাকায় পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওসি, ইউএনও, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, এসিল্যান্ডসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি। সহিংসতার এক পর্যায়ে দুর্বৃত্তদের করা গুলিতে নিহত হন এক দোকানী। স্থানীয় ৭ জন আহত হন। এসময় আহত হয়েছেন দুই থানার ওসিসহ ২০ পুলিশ সদস্যও।








