যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে এক মাস আগে একাধিকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ইরানে সামরিক হামলার পক্ষে অবস্থান নিতে উৎসাহিত ও উদ্বুদ্ধ করেছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।
দ্যা ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমনটা দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও, ব্যক্তিগতভাবে যুবরাজ ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নেন।
যদিও চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি বলেছিলেন, সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের উচিত সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ মেটানো।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা
অচল পারমাণবিক আলোচনা এবং ইরান পুনরায় পারমাণবিক কার্যক্রম শুরু করেছে-এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ১ মার্চ ইরানের সামরিক ও সরকারি স্থাপনায় যৌথ হামলা চালায়।
ট্রাম্প জানান, “ভারী ও নিখুঁত বোমাবর্ষণ” প্রয়োজন হলে সপ্তাহজুড়ে চলবে।
পাল্টা হামলায় উত্তেজনা বৃদ্ধি
ইরানে হামলার পর ইরানও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ও দুবাই, কাতারের দোহা এবং সৌদি আরবের রিয়াদে পাল্টা আক্রমণ চালায়। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ইরানের হামলাকে স্পষ্ট ও কাপুরুষোচিত আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানায়। তারা জানায়, ইরান জানত যে সৌদি আরব তাদের আকাশসীমা হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেয়নি।
হামলার পর সৌদি যুবরাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ঈসা আল খলিফা, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, কুয়েতের আমির শেখ মিশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবা, জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ-এর সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি আঞ্চলিক সংহতির আশ্বাস দেন এবং বলেন, সৌদি আরব প্রয়োজন হলে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।







