এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন সামিত সোম ও শাকিল আহাদ তপু। ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারেননি রাকিব ও ফাহামিদুলরা। প্রথমার্ধজুড়ে দাপুটে ফুটবল খেললেও ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।
জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে বল দখলে দাপটের পাশাপাশি আক্রমণেও এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুরও আক্রমণ করেছে বেশ। ম্যাচের দশম মিনিটে গোল পেতে পারত সিঙ্গাপুর। সে যাত্রায় বাংলাদেশ রক্ষণ ভাঙা সম্ভব হয়নি তাদের। ১৭ মিনিটে দারুণ সুযোগ হারায় বাংলাদেশ। বাঁ-প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যান সামিত। দারুণভাবে রাকিবের উদ্দেশ্যে বল পাস করলে রাকিব পা ছোঁয়াতে পারেননি।
২১ মিনিটে আরও একবার গোলের সুযোগ হারায় সিঙ্গাপুর। ডি বক্সের মধ্যে বাঁ-প্রান্ত থেকে নেয়া ইকশান ফেন্ডির শট লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি। ২৪ মিনিটে সিঙ্গাপুরের এক খেলোয়াড়ের জার্সি টেনে ধরে হলুদ কার্ড দেখেন ফাহমিদুল। পরের মিনিটে গোলের সুযোগ হারায় বাংলাদেশ।
২৬ মিনিটে কাঁধে চোট পান তারিক কাজী। স্ট্রেচার আনা হয়। মাঠের বাইরেও যান। পরে ব্যথা নিয়েই খেলা চালিয়ে যেতে মাঠে নামেন। এর আগেও একবার ঠোঁটে আঘাত পান তারিক কাজী।
৩০ মিনিটে সিঙ্গাপুর অধিনায়ক হারিস হারুণের বাঁ-প্রান্ত থেকে নেয়া শট ফিরিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ গোলকিপার মিতুল মারমা। পাল্টা আক্রমণে গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন সামিত সোম। পা ছোঁয়াতে পারেননি বলে গোল পাননি রাকিব। সহজ সুযোগ হারায় বাংলাদেশ।
৩৩ মিনিটে বাঁ-প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে যান ফাহামিদুল ইসলাম। ডি বক্সের খানিকটা আগে তাকে ফাউল করেন রায়হান স্টুয়ার্ট। ফ্রি-কিক নেন হামজা চৌধুরী। বাংলাদেশ তারকার শট গোলবারের সামান্য উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়।
৩৮ মিনিটে সামিত বল দেন ফাহমিদুলকে। বল পেয়েও যান ঠিকঠাক। একজনকে কাটিয়ে গোলমুখে শট নেন, তবে বাধা হয়ে দাঁড়ান সাফওয়ান বাহারউদ্দিন। আরও একটি সুযোগ হারায় বাংলাদেশ।
৪৪ মিনিটে গোল হজম করে বাংলাদেশ। এসময় স্বাগতিক রক্ষণে ঢুকে পড়ে সিঙ্গাপুর। গোলকিপার মিতুল বল ফিস্ট করতে গিয়ে পুরোপুরি বিপদমুক্ত করতে পারেননি। বক্সের মধ্য থেকে হেড দিয়ে সিঙ্গাপুরের একজন বল দেন ডানদিকে। সেখান থেকে একজন বল দেন বাঁ-পাশে। শট নেন সিঙ্গাপুরের সং উই ইয়াং। হামজা চৌধুরী অনেকদূর থেকে দৌড়ে এসে গোল বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পারেননি। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
যোগ করা সময়ে সামিতের নেয়া কর্নার থেকে পাওয়া বলে ঠিকঠাক হেড নেন তপু। তবে গোলবারের পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায় বল। ফের কর্নার পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। ১-০ তে পিছিয়ে শেষ হয় প্রথমার্ধ।








