সাইফ আলি খানের উপর হামলার মামলায় নতুন মোড় সামনে এসেছে। চার্জশিটে দেখা গেছে যে, সাইফের ফ্ল্যাট থেকে যে আঙুলের ছাপগুলি সংগ্রহ করা হয়েছিল সেগুলি গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত শরিফুলের সঙ্গে মেলে না। ২০টি স্যাম্পল স্টেট সিআইডি ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যুরোতে পাঠানো হয়েছিল, যার মধ্যে ১৯ টি মেলেনি। তবে পুলিশ এই ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলা নিয়ে নতুন যুক্তি দাড় করিয়েছে।
নিউজ১৮-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বাথরুমের কালো দরজা, বেডরুমের স্লাইডিং ডোর এবং আলমারির ফিঙ্গারপ্রিন্ট শরিফুলের সঙ্গে মেলনি। শুধুমাত্র অষ্টম তলা থেকে যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হয়েছে, সেগুলি শরিফুলের সঙ্গে মিলেছে।
এই বিষয়ে মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে যে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট মেলার সম্ভাবনা ১০০০-এ ১, কারণ অনেকেই পরে সেই জিনিসপত্র স্পর্শ করেছে। তাই ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলে যাওয়া এক্ষেত্রে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নয়।
মুম্বাই পুলিশ গত সপ্তাহে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সাইফ আলি খান মামলা সংক্রান্ত চার্জশিট দাখিল করেছে। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে ১০০০ পৃষ্ঠার সেই চার্জশিটে, শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনেক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পুলিশ আদালতের কাছে আবেদন করেছে যে, শরিফুলের জামিনের আবেদন খারিজ করা হোক। পাশাপাশি বলা হয়েছে যে, সাইফের মেরুদণ্ডের কাছে যে ছুরির টুকরো পাওয়া গেছে এবং ঘটনাস্থলে পাওয়া টুকরো, শরিফুলের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত ছুরির সঙ্গে মিলে গিয়েছে।
গত ১৬ জানুয়ারি সাইফ আলি খানের বাড়ির ১১ তলায় ঢুকে পড়েন এই দুষ্কৃতী। জানা যায়, ওই দুষ্কৃতী প্রথমে সাইফ-কারিনার বাড়ির পরিচারিকার মুখোমুখি হন। চিৎকার চেঁচামিচি শুনে বেরিয়ে আসেন সাইফ। তখনই তার সঙ্গে হাতাহাতি হয় ওই দুষ্কৃতীর। সেসময়ই ওই দুষ্কৃতী সাইফের পিঠে বেশ কয়েকবার ছুরি দিয়ে আঘাত করে বলে জানা যায়।
এমনকি ছুরির ভাঙা টুকরো অভিনেতার পিঠে গেঁথে গিয়েছিল। সেটাই লীলাবতি হাসপাতালে অপারেশন করে বের করতে হয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ৫ দিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে দিব্যি হেঁটে বাড়িতে ঢোকেন সাইফ। এত বড় ঘটনার পরও তাকে এতটা ফিট দেখে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন।








