ফুলেল শুভেচ্ছা, কেক কাটার শেষে ছাদখোলা বাসে বাফুফে ভবনের পথে রওনা হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা। বিমানবন্দর থেকে কিছু পথ নির্বিঘ্নেই পার হয় বাস। বনানী ফ্লাইওভারের কাছে এসে পড়ে জ্যামের মুখে। উৎসুক জনতার ভিড়ের মধ্যে তারপর থেকে খানিক বিরতি দিয়ে জ্যামে পড়ছে লাল-সবুজ মেয়েদের বাস।
শেষ খবর, ধীরে ধীরে এগোচ্ছে বাস। চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের বরণ করতে রাস্তার দুপাশেই দেখা মিলছে ভক্ত-সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়। সবচেয়ে বেশি মানুষের উপস্থিতি মিলেছে খিলক্ষেত ও বনানী এলাকায়। তারা স্লোগান দিয়ে, ফুল ছিটিয়ে মেয়েদের রাজসিকভাবে বরণ করে নিচ্ছে। হাত নাড়িয়ে সমর্থকদের অভিবাদন গ্রহণ করেছেন সাফজয়ী মেয়েরাও।
বুধবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে নেপাল থেকে দেশে পৌঁছান সাবিনা-সানজিদারা। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, ক্রীড়া সচিব, বাফুফের এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যরা।
কেক কাটা ও মিষ্টিমুখ করানো হয় সাবিনাদের। জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ক্রিকেটার সানোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে উড়োজাহাজের ভেতরেও একদফা কেক কাটা হয়।
সাড়ে তিনটার দিকে তহুরা-রূপনাদের ছাদখোলা বাস বিমানবন্দর ছাড়ে। বাসটি কাকলি, জাহাঙ্গীর গেট হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দিয়ে বিজয় সরণী-তেজগাঁও-মৌচাক ঘুরে কাকরাইল যাবে। সেখান থেকে ফকিরাপুল, আরামবাগ, শাপলা চত্বর দিয়ে মতিঝিলে বাফুফে ভবনে পৌঁছবে।
বাফুফেতে চ্যাম্পিয়ন কন্যাদের বরণ করবেন দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটির প্রধান কাজী সালাউদ্দিন। হবে ফটো সেশন। শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হবে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা লাল-সবুজের দল।








