ছেলেদের সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে দুই গোলে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। মেয়েদের ম্যাচেও একই চিত্র। তবে ছেলেরা ড্র করলেও, প্রথমার্ধে ২ গোলে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও এক গোল করে জয় তুলেছে লাল-সবুজের মেয়েরা। ৩-১ গোলের জয়ে আসর শুরু করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচসেরা হয়েছেন গোলকিপার স্বপ্না আক্তার ঝিলি। দুই গোল করেন সাবিনা খাতুন, একটি মাতসুশিমা সুমাইয়ার। দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন কৃষ্ণা রাণী সরকার।
প্রথমার্ধের প্রথম থেকে দারুণ সব আক্রমণ দেখা যায় সাবিনা খাতুন ও কৃষ্ণা রাণী সরকারের থেকে। বাংলাদেশের গোল পেতে খুব একটা সময় লাগেনি। প্রথমার্ধের সাত মিনিটের সময় কৃষ্ণার অ্যাসিস্টে প্রথম গোলটি করেন সাবিনা, এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।
প্রথম গোলের পর রয়েসয়ে খেলছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় গোল আসতেও খুব বেশি সময় নেয়নি লাল-সবুজের দল। ১৩ মিনিটে এবারও কৃষ্ণার অ্যাসিস্টে গোল করেন সাবিনা। বিরতির আগে ২-০তে এগিয়ে যায় কোচ সাঈদ খোদারাহমির দল। ওই ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
ম্যাচে শুরু থেকেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে গেছেন গোলকিপার স্বপ্না আক্তার ঝিলি। বিরতির আগে-পরে ভারতের নেয়া বেশকিছু শট ঠেকিয়ে দেন। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সামনে গোল আনতে পারেনি ভারত। পরে অবশ্য বাংলাদেশ একটি গোল হজম করে বসে।
বিরতির পর বেশ খানিকটা গোছানো আক্রমণ শুরু করে ভারত। এসময় বাংলাদেশের ডিফেন্ডারদের কিছুটা অগোছালো দেখা যায়। পরে বাংলাদেশের নওশোন জাহান, নিলুফার ইয়াসমিন, সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রাণী সরকার বেশ কয়েকটি সহজ ও কঠিন সুযোগ হাতছাড়া করেন।
তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৩১ মিনিটে সুযোগ হাতছাড়া করেনি বাংলাদেশ। ভারতের আক্রমণ ঠেকিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে প্রতিপক্ষ গোলকিপারকে পরাস্ত করেন ফরোয়ার্ড সুমাইয়া মাতসুশিমা, ৩-০তে এগিয়ে যায় দলটি। খেলা শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগে একটি গোল শোধ করে ভারত, ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-১। শেষে জয়ের উল্লাসে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।







