এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
কয়েকবছর ধরে ছোটপর্দায় দাপিয়ে অভিনয় করেছেন সাবিলা নূর ও তাসনিয়া ফারিণ। নাটক, ওটিটি-তে নানামাত্রিক চরিত্রে দিয়ে দুজনেই প্রশংসা পেয়েছেন। গেল ঈদুল আজহায় এই দুই অভিনেত্রী পুরোপুরি বাণিজ্যিক ধারার সিনেমার নায়িকা হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন।
দুজনেই আলাদা আলাদা সিনেমায় নিজেদের অভিনয় দিয়ে নজর কেড়েছেন। ধারণা করা যাচ্ছে, সাবিলা-ফারিণ বড়পর্দায় নিয়মিত হবেন।
সাবিলা নূর ছিলেন রায়হান রাফীর আলোচিত ছবি ‘তাণ্ডব’-এ, যেখানে তার বিপরীতে ছিলেন মেগাস্টার শাকিব খান। অন্যদিকে, তাসনিয়া ফারিণ অভিনয় করেছেন সঞ্জয় সমদ্দার পরিচালিত ‘ইনসাফ’-এ। যেখানে তার সহশিল্পী শরিফুল রাজ।
রূপালি জগতে এই দুই নবীনের অভিষেক যেন সমসাময়িক ঢাকাই সিনেমায় দুটি ভিন্ন সংযোজন! নায়িকা কিংবা অভিনেত্রী সংকটের এই সময়ে সাবিলা-ফারিণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে রুপালী পর্দায় আসাটাকে নিঃসন্দেহে সাধুবাদ পাওয়া উচিত বলে মনে করেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ঠরা!
এক ভিডিওতে সাবিলা-ফারিণ দুজনকে তাদের ক্যারিয়ার নিয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক ও পরিবেশক অনন্য মামুন।
নিজের ইউটিউবে অনন্য মামুন বলেন, নাটকের সিন্ডিকেটের মতো আপনারা (সাবিলা-ফারিণ) সিনেমার সিন্ডিকেটে আটকে থাকবেন না। সিনেমায় আপনাদের শিডিউলগুলো অন্য ডিরেক্টরদের জন্য ওপেন রাখবেন। ভালো পরিচালক, গল্প এবং প্রডাকশন হাউজ পেলে অবশ্যই সিনেমা করবেন।

নাটক-ওটিটিতে সুনাম অর্জনের পর সিনেমায় এসে গত তিন বছরে একটি প্রডাকশন হাউজের বাইরে কাজ করেননি আফরান নিশো। নির্মাতা অনন্য মামুন সেই প্রসঙ্গ টেনে আরও বলেন, কোনো গণ্ডির মধ্যে থাকলে কিন্তু আফরান নিশোর মতো হয়ে যাবেন, দেখবেন কখন আসবেন কখন হারিয়ে যাবেন ফিল্মে কোনো জায়গা হবে না। আপনারা (সাবিলা-ফারিণ) ভালো ফিল্মের আর্টিস্ট হবেন, যখন সবার সঙ্গে কাজ করবেন।
শাকিব খানের প্রসঙ্গ টেনে ‘দরদ’-খ্যাত নির্মাতা অনন্য মামুন বলেন, আমাদের শাকিব খান ভাই সব ভালো ডিরেক্টর যারা নাটক ও সিনেমার তাদের প্রাধান্য দেন। কে কোথা থেকে এসেছে, কে কোন সিন্ডিকেট করে এটা শাকিব ভাইয়ের কাছে ম্যাটার করে না। উনি ভালোদের সুযোগ দেন। আপনারা (সাবিলা-ফারিণ) যদি এসব জেনে বুঝে সবার সঙ্গে কাজ করেন তাহলে ফিল্মে অবশ্যই ভালো কিছু করতে পারবেন।
ওই ভিডিওতে অনন্য মামুন বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি আগামী ছয়মাস বিদেশি কোনো নায়িকা বা আর্টিস্ট বাংলাদেশে কাজে অনুমতি পাবে না। আমি মিনিস্ট্রিতে যোগাযোগ করে খোঁজ নিয়েছি। তবে বাংলাদেশের আর্টিস্টরা বিদেশে কাজ করার অনুমতি পাবেন। সুতরাং, আগামী ছ’মাস যে সিনেমাগুলো হবে সেগুলোতে দেশি নায়িকারা কাজের সুযোগ পাবেন।








