এস আলম গ্রুপের অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কি না? পদক্ষেপ নেয়া হয়ে থাকলে তার অগ্রগতি কী, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
এস আলম গ্রুপের সম্পত্তি স্থানান্তর বা বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা রিটের শুনানির একপর্যায়ে রোববার বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আদেশ দেন। আগামী রোববারের মধ্যে দূর্নীতি দমন কমিশনকে তদন্তের বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে বলে জানান দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহীন আহমেদ। আদালতে আজ রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রুকুনুজ্জামান।
এস আলম গ্রুপের সম্পত্তি স্থানান্তর বা বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. রুকুনুজ্জামান। রিটে
এস আলম গ্রুপ এবং প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সব স্থাবর সম্পত্তির তালিকা দাখিল করার নির্দেশনাও চাওয়া হয়।
এর আগে এস আলম গ্রুপের অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে হাইকোর্টের রুল খারিজ করে দেন ততকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। তবে স্বাধীনভাবে তদন্ত করতে দুদক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটের (বিআইএফইউ) কোনো বাধা থাকবে না বলে সেই আদেশে উল্লেখ করা হয়।







