রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ৩৬ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও থামছে না ইউক্রেনের উপর আক্রমণ।
শুক্রবার ইউক্রেনের বাখমুত, ক্রেমিন্না ছাড়াও লুহানেস্ক, দোনেৎস্ক সহ অন্যান্য অঞ্চলে রাশিয়ান সেনারা হামলা চালিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বড়দিন উৎসবের ছুটি উপলক্ষ্যে ৩৬ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ভ্লামিদির পুতিন। তিনি এ দু’দিন রুশ সেনাদের হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন।
তবে যুদ্ধবিরতি শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে খেরসন এবং ক্রামাতোর্সক শহরে মুহুর্মুহু রকেট ছোড়ে রাশিয়ার সেনারা। পুতিনের ঘোষণার পরও হামলার ঘটনা ঘটায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় সেনারা।
ইউক্রেনীয় সেনা সদস্যরা বলেন, ‘যদি তারা গুলি চালানো অব্যাহত রাখে তাহলে আপনি কী পেতে চান? আমরা জানি। আমরা তাদের বিশ্বাস না করতে শিখে গেছি।’
রুশ সেনাদের হামলার জবাবে ট্যাংক দিয়ে পাল্টা হামলা চালায় ইউক্রেনীয় সেনারা।
এর ধারাবাহিকতায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধ বিরতি ঘোষণার পরও ইউক্রেনের সেনারা প্রথমে হামলা চালিয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পুতিনের এ যুদ্ধবিরতিকে রাশিয়ার ‘চক্রান্ত’ হিসেবে অভিহিত করে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
অন্যদিকে রাশিয়া এবং ইউক্রেনে যেসব খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী আছেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগই অর্থডক্সপন্থী। বিশ্বের বেশিরভাগ খ্রিস্টান ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন উদযাপন করলেও অর্থডক্সপন্থীরা ৭ জানুয়ারি এ উৎসব পালন করে থাকেন। এ কারণে এদিন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন পুতিন।







