রাজনৈতিক দল হিসেবে গণঅধিকার পরিষদকে কেন নিবন্ধন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
ড. রেজা কিবরিয়ার করা এক রিটের শুনানি শেষে সোমবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একলাস উদ্দিন ভূঁইয়া। আর নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. আনিছুজ্জামান।
রাজনৈতিক দল হিসেবে গণঅধিকার পরিষদকে নিবন্ধন না দেয়ার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে গত ১৩ নভেম্বর হাইকোর্টের রিট করেন ড. রেজা কিবরিয়া। গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক উল্লেখ করে গত ২৯ আগস্ট ড. রেজা কিবরিয়াকে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন না দেয়ার সিদ্ধান্তের বৈধতা এই রিটে চ্যালেঞ্জ করা হয়।
গণঅধিকার পরিষদকে নিবন্ধন না দেয়ার কারণ জানিয়ে গত ২৯ আগস্ট ড. রেজা কিবরিয়াকে ইসি’র উপ-সচিব মো. আব্দুল হালিম খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির পাঠানো তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের শর্ত প্রতিপালিত হয়েছে। তবে, দলটির সরবরাহকরা ১৪১টি উপজেলা/থানা পর্যায়ের তথ্য যাচাই করে মাত্র ৬৩টি জায়গায় দলটির নিবন্ধনের শর্ত প্রতিপালনের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। অবশিষ্ট ৭৮টি উপজেলা/থানা অফিস এবং নির্ধারিত সংখ্যক ভোটার সদস্য থাকার তথ্য অর্থাৎ নিবন্ধনের শর্ত প্রতিপালনের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়নি। দলটি নিবন্ধনের শর্ত যথাযথভাবে প্রতিপালিত না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনের কাছে দলটি নিবন্ধনযোগ্য বিবেচিত হয়নি। এঅবস্থায়, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮ এর বিধি-৭ এর উপ-বিধি (৬) অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গণঅধিকার পরিষদ নামীয় দলের আবেদন না-মঞ্জুরপূর্বক নিষ্পত্তি করেছেন।’







