স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের প্রতিবাদ এবং পাহাড়ি নারীদের উপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে খাগড়াছড়িতে সকাল-সন্ধ্যা সড়ক অবরোধ চলছে। জুম্ম ছাত্র-জনতার ব্যানারে ডাকা অবরোধের কারণে দূরপাল্লার সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার কোন আভ্যন্তরীণ সড়কেও গাড়ি চলছে না।
অবরোধের সমর্থনে জেলাজুড়ে পিকেটিং করছেন আন্দোলনকারীরা। শহরের চেঙ্গীস্কয়ার, জিরোমাইল, বলপাইয়ে আদাম ছাড়াও খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম, পানছড়ি, দীঘিনালা, মহালছড়ি সড়কের বহু জায়গায় পিকেটাররা সড়কে টায়ার পুড়িয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করে রেখেছে। কয়েকটি স্থানে গাছ কেটে সড়কে ব্যারিকেড তৈরি করেছে।
যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় জনদূর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে বেড়াতে আসা পর্যটকরা বিপাকে পড়েছেন। তবে, এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, তারা ব্যারিকেড তুলে দিয়ে জনজীবন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছেন। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়া শেষে ফেরার পথে এক মারমা কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা জানান, সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সন্দেহভাজন যুবক শয়ন শীলকে আটক করে আদালতে তোলা হলে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।








