গতবছরের এপ্রিলে প্যারিস অলিম্পিক গেমসের ফুটবল ইভেন্টের বাছাইপর্বে অংশ নিতে যেতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। ২০২২ সালে সাফের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সিঙ্গাপুরের সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ বাতিলের পরপরই ওই সুযোগটি হাতছাড়া হয় তাদের। তখন লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ম্যাচের বাইরে ছিলেন সাবিনা খাতুন-ঋতুপর্ণা চাকমারা। অলিম্পিকের মতো বড় মঞ্চে খেলার স্বপ্নও অধরা তাদের। সেই আক্ষেপ এখনও পোড়ায় তারকা ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণাকে।
মঙ্গলবার সাফজয়ীদের নিয়ে আয়োজিত চ্যানেল আই’র বিশেষ ‘অভিনন্দন’ অনুষ্ঠানে আসেন বীরকন্যারা। সেখানে চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে আলাপে তারকা ফরোয়ার্ড খুলে দেন সাফল্যযাত্রার মনের দুয়ার। জানান, প্রথমবার সাফজয়ের পর দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথেও তাদের যেতে হয়েছে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অর্থিক টানাপোড়নে গতবছর মিয়ানমারের মাটিতে বাছাইপর্বে খেলার সফর শেষমুহূর্তে বাতিল হয় মেয়েদের। সেই আক্ষেপ নিয়ে ঋতুপর্ণা বললেন, ‘দেখেন, আমরা যখন দুই বছর আগে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম, তার পরে আমাদের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশগ্রহণ করার সুযোগ ছিল। কিন্তু আমরা যেতে পারিনি। বিশেষ করে অলিম্পিকে।’
‘যেখানে (অলিম্পিক বাছাই) ৭ দিন পর টিম যাবে, সেখানে যাওয়ার দুইদিন আগে আমরা জানতে পারি টিম যাচ্ছে না। যেটার আক্ষেপ আসলে বলে প্রকাশ করা সম্ভব না। একপর্যায়ে সবকিছু নিয়েই আমরা হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম। টাকা-পয়সাসহ নানা সমস্যার কারণে ট্যুরটা সেসময় বাতিল করা হয়েছিল। এমনকি এই সাফের আগে আমরা শুধু ভুটানের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি, সবমিলিয়ে চারটা। যেখানে অন্যান্য দলগুলো বড় বড় দলের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছে।’
গত ৩০ অক্টোবর কাঠমান্ডুতে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। টানা দ্বিতীয়বার সাফ জিতে পরদিন ঢাকায় পৌঁছানোর পর মেয়েদের সংবর্ধনা দিয়ে বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে মতিঝিলে বাফুফে ভবন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়।







