আগামী দু-এক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন ও চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া।
রোববার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদরদপ্তরে আয়োজিত অবৈধ অর্থ স্থানান্তর, অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কিত গবেষণা ফল প্রকাশ এবং দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, আমাদের মানবপাচার তদন্ত সেল রয়েছে। সেটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। এ সেলের একটি শাখা বিমানবন্দরে রয়েছে। যারা বিভিন্নভাবে প্রতারণার শিকার হয়ে বিদেশ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়, রিপোর্ট করার সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাদের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করি। এ ছাড়া কোনো ভুক্তভোগী যদি মামলা দায়ের করেন তাহলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নিই।
তিনি আরও বলেন, গত শুক্রবার মালয়েশিয়ায় শ্রমিক যাওয়ার বিষয়ে বিমানবন্দরে আমরা যা দেখেছি, তা নিয়ে যদি কোনো সংক্ষুব্ধ কেউ মামলা করেন, তাহলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব। শুধু পাচার মামলা নয়, পাশাপাশি অবৈধভাবে শ্রমিক পাঠানোর মাধ্যমে আয় করা হলেও আমরা মানি লন্ডারিং আইনে মামলার আওতায় নিয়ে আসব।
গত এক বছরে কী পরিমাণ মানি লন্ডারিং হয়েছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে আমাদের কাছে তথ্য নেই। এটি তো বাংলাদেশ ব্যাংক মনিটর করে। আমরা বলতে পারি, মানিলন্ডারিং সম্পর্কিত যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলোর তথ্য আমাদের কাছে আছে।










