নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদপ্রার্থী ভারতীয় বংশোদ্ভূত জোহরান মামদানি বলেছেন, তিনি শহর থেকে ‘ফ্যাসিস্ট’ মার্কিন অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বহিষ্কার করবেন। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় রিপাবলিকানরা এখন মমদানিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়নের দাবি তুলেছেন।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছেন।
মার্কিন সীমান্ত নিরাপত্তা প্রধান টম হোমান এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভালো করে চেষ্টা করে দেখুক। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইন সব দিক থেকে জোহরান মামদানির উপরে প্রযোজ্য।
তিনি আরও বলেন, এখন খেলা শুরু। আমরা নিউইয়র্ক সিটিতে থাকবোই। আসলে যেহেতু এটি একটি সাংকচুয়ারি সিটি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগেই স্পষ্ট করেছেন, আমরা এখানে দ্বিগুণ, ত্রিগুণ শক্তি নিয়ে কাজ করবো।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ও ডেমোক্র্যাটিক সোশালিস্ট জোহরান মামদানি ডেমোক্র্যাটিক মেয়র প্রাইমারিতে বড় ব্যবধানে এগিয়ে গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমোকে পরাজিত করেন।
নির্বাচিত হলে মামদানি হবেন নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র। তবে রিপাবলিকানরা দাবি করছেন, তিনি পর্যাপ্ত আমেরিকান নন, কারণ তিনি নাগরিকত্ব পেয়েছেন ১০ বছরেরও কম সময় আগে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটরা সীমা অতিক্রম করেই ফেলেছে। জোহরান মামদানি শত শতাংশ কমিউনিস্ট উন্মাদ, ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারি জিতে মেয়র হওয়ার পথে এগিয়ে গেছে।
মার্কিন আইনে নাগরিকত্ব বাতিল বা ডিন্যাচারালাইজেশন খুবই বিরল ঘটনা। এটি কেবল তখনই সম্ভব, যদি প্রমাণিত হয় যে কেউ জালিয়াতি বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে নাগরিকত্ব পেয়েছে, অথবা নাগরিক হওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে সহিংস সরকার উৎখাত প্রচারে যুক্ত ছিল, কিংবা সন্ত্রাস বা যুদ্ধাপরাধের মতো গুরুতর অপরাধ করে সেগুলো গোপন করেছে।
এ ধরনের প্রক্রিয়ায় সরকারের আদালতে শক্ত প্রমাণ হাজির করতে হয়।








