মেয়েদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বৈশ্বিক ও মহাদেশীয় আসরে নিরপেক্ষ আম্পায়ার থাকলেও দ্বিপক্ষীয় সিরিজে এমন দৃশ্যের দেখা মেলে না। এবার পুরনো প্রথা ভেঙে নিরপেক্ষ আম্পায়ার নিয়োগের পথে হাঁটল আইসিসি। প্রথম নারী হিসেবে সেই দায়িত্ব পালন করবেন সু রেডফার্ন।
চলতি মাসের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-টুয়েন্টি ও ওয়ানডে সিরিজে অংশ নেবে সাউথ আফ্রিকা। ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার রেডফার্নকে সিরিজ দুটিতে আম্পায়ার হিসেবে দেখা যাবে।
আইসিসির ক্রিকেটের মহাব্যবস্থাপক ওয়াসিম খান মেয়েদের আম্পায়ারদের জন্য আরও সুযোগ খুলবে বলে মনে করছেন। একইসঙ্গে তিনি এটিকে নারী আম্পায়ারদের জন্য একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। তার ভাষ্য, নিরপেক্ষ নারী আম্পায়ারদের নিয়োগ তাদের অবস্থানকে আরও উন্মুক্ত করবে এবং তাদের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনকারী স্থানীয় নারী আম্পায়ারদের শেখার ও উন্নয়নে সহায়তা করবে।
প্রথম নিরপেক্ষ নারী আম্পায়ার হতে চলায় বেশ আত্মবিশ্বাসী রেডফার্ন মনে করেন তার নিয়োগ এবং নারী ম্যাচ কর্মকর্তাদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
‘আইসিসি প্রথম অফিসিয়াল নিরপেক্ষ নারী আম্পায়ার হিসেবে আমার নাম যুক্ত করা সম্মানের বিষয়। আমি অস্ট্রেলিয়া এবং সাউথ আফ্রিকার মধ্যকার আসন্ন সিরিজ নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত।’
‘আমি নিশ্চিত এই নিয়োগ ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে নারী কর্মকর্তাদের আরও বিকাশে সহায়তা করতে গতি এবং দৃশ্যমান অগ্রগতি তৈরিতে সহায়তা করবে। ব্যক্তিগতভাবে বছরের পর বছর ধরে সমর্থনের জন্য আইসিসি এবং ইসিবিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি এমন আরও নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছি।’
আইসিসি নিযুক্ত সাতজন নিরপেক্ষ নারী আম্পায়াররা এলিট প্যানেলে থাকা ছেলে আম্পায়ারদের ম্যাচ ডে’র সমান বেতন পাবেন।
রেডফার্ন ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে ইংল্যান্ডের হয়ে ছয়টি টেস্ট এবং ১৫টি ওয়ানডে খেলেন। তিনি মেয়েদের দুটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করেছেন।








