বাংলাদেশে রাজনৈতিক সৌজন্যের অংশ হিসেবে বড় দলগুলোর মধ্যে ইফতারের দাওয়াত আদান-প্রদান অনেক দিনের রীতি। তবে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা একে অপরের আয়োজিত ইফতারে সরাসরি যোগ দেন এমন ঘটনা খুব কম দেখা গেছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের আয়োজিত ইফতার মাহফিলে সপরিবারে যোগ দেবেন। সাম্প্রতিক রাজনীতিতে এটি একটি বিরল সৌজন্যের উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া একই টেবিলে বসে ইফতার করেন এবং কুশল বিনিময় করেন। তবে সেটি কোনো রাজনৈতিক দলের একক আয়োজন ছিল না।
এ ছাড়া ২০১৫ ও ২০১৮ সালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ একসঙ্গে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা প্রতি বছর একে অপরকে ইফতারের আমন্ত্রণ জানালেও দীর্ঘ সময় ধরে তারা একে অপরের ব্যক্তিগত বা দলীয় আয়োজনে সরাসরি উপস্থিত হননি।








