প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের করা ফাউলে ফ্রি-কিক পেয়েছিল সেভিয়া। ইভান রাকিটিচের নেয়া ফ্রি-কিক থেকে বল পেয়ে বাঁ-পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন সার্জিও রামোস। তাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ দেখা পেয়েছে ১০ হাজারতম গোলের। এভারটনের সাবেক ফরোয়ার্ড ড্যানিয়েল আমোকাচি ক্লাব ব্রুগের হয়ে ১৯৯২ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথম গোলটি করেছিলেন।
রামোস রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেয়েছিলেন। ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে সেরার আসরে এটিই একজন খেলোয়াড়ের প্রথম এবং সাম্প্রতিকতম গোলের মধ্যে সময়ের দীর্ঘতম ব্যবধান।
স্প্যানিশ ডিফেন্ডারের কীর্তির এখানেই শেষ নয়। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ডিফেন্ডারদের মধ্যে গোলদাতার তালিকার শীর্ষেও উঠেছেন রামোস। তার সঙ্গে টুর্নামেন্টটিতে যৌথভাবে ১৬ গোল করা ডিফেন্ডাররা হলেন- ব্রাজিলের রবার্তো কার্লোস ও স্পেনের জেরার্ড পিকে।
আসরটির ইতিহাসে চতুর্থ বয়স্ক গোলদাতা এখন রামোস। বুধবার রাতে পিএসভি আইন্দোহভেনের বিপক্ষে ৩৭ বছর ২৪৪ দিন বয়সে গোল করেছেন তিনি।
সবচেয়ে বেশি বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গোলের পাতাটি পেপের নামে। গত ৭ নভেম্বর পোর্তোর হয়ে ৪০ বছর ২৫৪ দিন বয়সে পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নিশানাভেদ করেছিলেন। ৩৮ বছর ৫৯ দিনে রোমার হয়ে ২০১৪ সালে গোল করেছিলেন ফ্রান্সিসকো টট্টি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলাকালীন ৩৭ বছর ২৯০ দিনে বয়সে জালে বল জড়ান রায়ান গিগস।
রামোসের জন্য আলোচিত ম্যাচে দল হিসেবেও রেকর্ড গড়েছে সেভিয়া। বি-গ্রুপের খেলায় স্প্যানিশ ক্লাবটির কোচ ডিয়েগো আলোনসো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলারদের নিয়ে শুরুর একাদশ সাজান। খেলতে নামার সময় সেভিয়ার খেলোয়াড়দের গড় বয়স ছিল ৩২ বছর ১৯ দিন। এর আগে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৩১ বছর ৩৩১ দিন গড় বয়সের দল নামিয়ে রেকর্ড গড়েছিল ইন্টার মিলান।
ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার পরও হেরে মাঠ ছাড়ে সেভিয়া। ঘরের মাঠে ৩-২ গোলে পরাজিত হয়ে গ্রুপপর্ব থেকে বাদ পড়েছে দলটি।








