এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
মাত্র ৭ দিন পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ রাকসু নির্বাচন। এই নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে প্রার্থীদের ব্যস্ততাও তত বাড়ছে। এই নির্বাচনকে ঘিরে একদিকে শিক্ষার্থীরা যেমন প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত তেমনি নির্বাচন আয়োজকরা সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
৩৫ বছর পরের এই নির্বাচনে প্রার্থী ও ভোটারদের পদচারণায় মুখরিত রাবি ক্যাম্পাস। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। ২৮ হাজার ৯০৫ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ১৭টি কেন্দ্রে ৯৯০ টি বুথ থাকবে। নির্বাচনে ভিপি পদে ১৮ জন,জিএস পদে ১১ জন এবং এজিএস পদে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম, ইসলামী ছাত্রশিবির মনোনীত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট, সাবেক ছাত্র সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মারের আধিপত্য বিরোধী ঐক্য, একমাত্র নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খানের সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ সহ ১১ টি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
রাকসু নির্বাচনে পিছিয়ে নিয়ে মহিলা প্রার্থীরা। তারা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। শুনছেন তাদের কথা, আর দিচ্ছেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। সার্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ মনোনীত ভিপি প্রার্থী তাসনিম খান ক্যাম্পাসে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তিন স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। দুই হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হবে ক্যাম্পাসে ।
রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আবু সুফিয়ান বলেন, ডাকসু, জাকসু পর রাকসুর নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে তরুণ শিক্ষার্থী রাজনীতিবিদ ও দেশবাসী। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এমনটি প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।








