চতুর্থ দিনের মত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোর জেলা থেকে ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে মালিকরা।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চতুর্থ দিনের মত এ ধর্মঘট চলছে। শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর ইস্যুতে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই শুক্রবার রাত থেকে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় মালিকরা।
এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। তারা জানান, পুজার ছুটিতে এমনিতেই বাস-ট্রেনে ভীড়। কোনরকম ঘোষণা ছাড়া বাস বন্ধে বিপাকে পড়েছেন তারা।
এদিকে একতা ট্রান্সপোর্টের বাস রাজশাহী ঢাকা রুটে স্বাভাবিক সময়ের মতই চলাচল করছে।
বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও দেশ ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী বজলুর রহমান রতন বলেন, আমরা চালক ও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছি। কিন্তু তারপরও তারা মালিকদের নিষেধ না মেনে পথে পথে যাত্রী উঠানো বন্ধ করেনি। এতে যাত্রীদের নিরাপত্তা যেমন ঝুঁকিতে পড়ছে, তেমনি বাস কোম্পানির সুনামের ক্ষতি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার রুটে আমাদের কিছু ভিআইপি গাড়ি চলাচল করে। এসব যাত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি আমাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। পথে যাত্রী তোলা হলে যদি সেই গাড়িতে ডাকাতি বা দস্যুতার মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে-তার দায় মালিকদের কাঁধে এসে পড়ে। যাত্রীদের জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আমরা বাধ্য হয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করেছি। এ বিষয়ে আমরা মালিকরা আমাদের বক্তব্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।








