পাওয়ার প্লেতে লিটন দাসের ঝড়ো ফিফটির রেকর্ডে দুর্দান্ত শুরু এনেছে বাংলাদেশ। ভারতের বোলারদের কোনো সুযোগ না দিয়ে ৭ ওভারে তুলে রেখেছে ৬৬ রান। ম্যাচের এই সময়ে নেমেছে বৃষ্টি। খেলা বন্ধ আছে। আছে সুখবরও। আর খেলা না হলেও বৃষ্টি আইনে ১৭ রানে ম্যাচ জিতে যাবে সাকিবের দল।
অ্যাডিলেডে ১৮৫ রানের জবাবে ঝড় তোলেন লিটন। ধারাবাহিক ব্যর্থ সৌম্যর জায়গায় ওপেনিংয়ে এসে লুটে নিয়েছেন পাওয়ার প্লের পুরো ফায়দা। ২১ বলে টাইগার ড্যাশিং ওপেনার তুলে নেন বিশ্বকাপের ইতিহাসে পঞ্চম দ্রুততম ফিফটি।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো উইকেট না হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ৭ ওভার শেষে ৬৬ রান। জয়ের জন্য ১৭ রানে এগিয়ে আছে লাল-সবুজরা।
তিন থেকে ওপেনিংয়ে আসা লিটন ২৬ বলে ৭ চার ও তিন ছক্কায় করেছেন ৫৯ রান। শান্তর অবদান ১৬ বলে ৭ রান। জিততে টাইগারদের নিতে হবে ৭৮ বলে আরও ১১৯ রান, যদি পুরো খেলা হয়। অন্যদিকে বৃষ্টির কারণে খেলা আর না হলে ৭ ওভার শেষে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ পাবে ১৭ রানের জয়।
বুধবার জবাব দিতে নেমে সাবধানী ব্যাটিং করেন শান্ত। ভূবনেশ্বরের করা প্রথম ওভারে আসে ২ রান। দ্বিতীয় ওভারে আর্শদ্বীপের উপর চড়াও হন লিটন। তিন চারে তুলে নেন ১২ রান। ভূবনেশ্বরের তৃতীয় ওভারে আনেন ১৬ রান। ওই ওভারের পঞ্চম বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন লিটন। ঝাঁপিয়েও তালুবন্দি করতে পারেননি দিনেশ কার্তিক।
চতুর্থ ওভারে ৫ রান আসলেও পঞ্চম ওভারে লিটন-শান্ত আনেন ৯ রান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মোহাম্মদ শামির উপর চড়াও হন লিটন, চার-ছক্কায় আনেন ১৬ রান। একইসঙ্গে তুলে নেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের পঞ্চম দ্রুততম ফিফটি, ২১ বলে। যা বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যুবরাজ সিংয়ের ১২ বলে ফিফটি বিশ্বকাপের তো বটেই, টি-টুয়েন্টি ইতিহাসেরই দ্রুততমের রেকর্ড।
এরআগে পাওয়ার প্লেতে ভারতকে চেপে ধরতে পেরেছিল টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেয়া বাংলাদেশ। পরে লোকেশ রাহুল, বিরাট কোহলি ও সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটে ৬ উইকেটে ১৮৪ রানের বড় স্কোর তোলে টিম ইন্ডিয়া। জয়ের জন্য টাইগারদের এখনও পাড়ি দিতে হবে অনেকখানি পথ।








