কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এরমধ্যে রাজধানীর উত্তরায় ৯ জন, ধানমন্ডিতে একজন, যাত্রাবাড়ীতে একজন, রামপুরায় একজন, সাভারে একজন, মাদারীপুরে একজন, রংপুরে একজন ও নরসিংদীতে দুজন রয়েছেন।
এছাড়া চট্টগ্রামে দুজন এবং রাজধানীতে ঢাকা টাইমসের সাংবাদিক মেহেদী হাসান গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
জানা গেছে, রাজধানীতে নিহতদের মধ্যে রয়েছে নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ, রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র ফারহান ফাইয়াজ, এমআইএসটি’র শিক্ষার্থী ইয়ামিন। এছাড়া রামপুরায় একজন মাইক্রোবাস ড্রাইভার নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সংঘর্ষের সময় পানিতে পড়ে মাদারীপুরে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই পুলিশ, ছাত্রলীগের সাথে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। এসময় বিটিভি ভবন, পুলিশ ফাঁড়িসহ বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে বাড্ডায় শিক্ষার্থীদের সাথে সংঘর্ষের একপর্যায়ে পুলিশকে ধাওয়া দিলে তারা বিভিন্ন ভবনের ছাদে আশ্রয় নেয়। এমনই একটি ভবন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে ৬২ জন পুলিশ সদস্যকে র্যাব হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে।








