সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ৭৬ মিনিট পর্যন্ত বেঞ্চে কাটিয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তার উপর আস্থা রাখতে পারেননি কোচ ফের্নান্দো সান্তোস। রাখেননি শুরুর একাদশে। দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্যারিযারে এমন আগে কখনও হয়নি সিআর সেভেনের সাথে।
চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই মাঠে সময়টা ভালো যাচ্ছে না রোনালদোর। পারফরম্যান্সে বয়সের ছাপ স্পষ্ট। উটকো যোগ হয়েছে মাঠের বাইরের নানা ঝামেলাও। বিশ্বকাপের মাঝ পথেই দল ছেড়ে দেশে ফেরার খবরও বেড়িয়েছিল।
কাতারে পর্তুগিজ দলে তার জায়গা পাওয়া নিয়েও ছিল সমালোচনা। বরাবরের মতো মাঠে সেটির জবাব দিতে পারছেন না ৩৭ বর্ষী মহাতারকা। আসরে নিজেদের শুরুর ম্যাচে ঘানার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে জালের দেখা পেয়েছিলেন। গড়েন প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের পাঁচ আসরে গোল করার রেকর্ড। নকআউট পর্বে এখনও গোলের দেখা পাননি, সেই সুযোগ আজ শেষও হয়ে যেতে পারে মহাতারকা স্ট্রাইকারের।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে ৩৮ ছুঁতে চলা রোনালদোর এটি শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে। তেমন আভাস দিয়ে রেখেছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। কোয়ার্টারের ম্যাচটা তাই বিশ্বকাপে রোনালদোর শেষ ম্যাচও হয়ে যেতে পারে। পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড বাদ দিলে এই আসরে এখন পর্যন্ত রোনালদোর মনে রাখার মতো কিছু নেই।
নিজেকে হারিয়ে খুঁজেছেন প্রতি ম্যাচেই। শুধুই নামের জোরে খেলে চলেছেন— এমন অপবাদও দিচ্ছেন অনেকে। এমন সময় টানা দুই ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা মিলল না রোনালদোর।







