কাতারি ধনকুবের নাসের আল খেলাইফি এমন সাফল্য পেতে বড় বড় সব প্রজেক্ট ও বিনিয়োগ করেছেন। দলে নিয়েছিলেন সময়ের সেরা তারকাদের। লিওনেল মেসি, নেইমার ও কাইলিয়ান এমবাপের মতো আক্রমণত্রয়ীও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতাতে পারেননি ফরাসি ক্লাবটিকে। লুইস এনরিকের তারুণ্য নির্ভর দল সেটা করে দেখাল, পিএসজির চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ে প্যারিসে ভক্ত-সমর্থকরাও মেতেছে বাঁধভাঙ্গা উল্লাসে। উদযাপনের মাঝে ঘটেছে অপ্রীতিকর ঘটনা, গেপ্তার করা হয়েছে তিনশ উগ্র-সমর্থককে।
ফাইনালে শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার পর প্যারিসের চ্যাম্পস-ইলিসেস অ্যাভিনিউতে বিশাল প্যারেড শোভাযাত্রা শুরু করে ফরাসিরা। যা আর্ক দ্য ট্রায়ম্প এলাকায় পৌঁছাতেই সমর্থকদের একটি অংশের আচরণে বিশৃঙ্খলায় রূপ নেয়। একপর্যায়ে তাদের থামাতে জলকামান থেকে পানি ছিটায় পুলিশ। তারা জানিয়েছে, সমর্থকদের একটি উগ্র অংশ পুলিশি ব্যারিকেড টপকে মুখোমুখি মোকাবিলার চেষ্টা চালায়। ফলে ২৯৬ জন উগ্র সমর্থককে আটক করে পুলিশ।

এসময় আরও বেশি লাগামছাড়া উদযাপনে মেতে ওঠে ওই এলাকা। একের পর আতশবাজিসহ যানবাহনে দেয়া হয় আগুন। বাসের জন্য অপেক্ষা করার যাত্রি ছাউনিতে করা হয় ভাঙচুর। সড়কে তখন ইঞ্জিনে উচ্চশব্দ তুলে মোটরসাইকেল চলছিল, আশপাশ থেকে তাতে উৎসাহ মিলছিল। আরও কিছু এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় পিএসজির সমর্থকরা। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মাঝে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়েছে।

প্যারিস পুলিশ জানিয়েছে, আটক করা বেশিরভাগেরই আতশবাজি পোড়ানো এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অভিযোগ সন্দেহে থানায় আনা হয়েছে।
এর আগে মিউনিখের অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় শনিবার রাতে ইন্টার মিলানকে ৫-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতে নেয় পিএসজি।







