চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে উঠতে কঠিন বেগ পেতে হয়েছিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনকে, খেলতে হয়েছিল প্লে-অফের ম্যাচ। এরপর দলটিকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাদের। দুর্দান্ত খেলতে থাকা লিভারপুল, এরপর আসেনালকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেই বাজিমাত করেছে ফরাসি জায়ান্টরা। ফাইনালের প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে গেছে প্রথমবার শিরোপা আশায় থাকা লুইস এনরিকের শিষ্যরা।
বায়ার্ন মিউনিখের অ্যারিয়াঞ্জ অ্যারেনায় শুরুটা ভালো করেছিল ফ্রান্সের ক্লাবটি। প্রথম থেকেই ইন্টারের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ছিল প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন। ম্যাচের প্রথম আক্রমণও ছিল তাদের থেকে। বেশ কয়েকটি আক্রমণ করেও গোলমুখের দেখা পাচ্ছিলো না মার্কিনহোসের দল।
আক্রমণের ধারা ধরে রাখায় সুফল পেতে খুব একটা সময় লাগেনি এনরিকের শিষ্যদের। ১২ লেফট উইং থেকে আক্রমণে ভিতিনহা বল দেন বক্সে দাঁড়ানো ডিজায়ার দুয়ের কাছে। হালকা ছোঁয়ায় দুয়ে বল ক্রস করেন রাইট উইংয়ে দাঁড়ানো আশরাফ হাকিমির দিকে। কোনোরকম প্রতিরোধ ছাড়াই বল জালে জড়ান হাকিমি। ম্যাচে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি।
ম্যাচের দ্বিতীয় গোল পেতে খুব বেশি দেরি হয়নি পিএসজির। এবার গোল করেন আগের গোলের অ্যাসিস্টে নাম লেখানো ডিজায়ার দুয়ে। এবার লেফট উইং থেকে বল ক্রস করেন দেম্বেলে, ডানপায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়ান দুয়ে। বলে অবশ্য হালকা ডিফ্লেকশন ছিল ইন্টারের ফেডেরিকো ডি মার্কোর। ২০ মিনিটের মধ্যে ম্যাচে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি।
৩৮ মিনিটে এবং তার আগে দুই কর্নার থেকে দুটি ভালো সুযোগ ছিল ইন্টার মিলানের ম্যাচে ফেরার। তবে দুটি হেডই গোলবারের সামান্য উপর ও পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি ইতালিয়ান জায়ান্ট ইন্টার মিলান। ৬০ শতাংশের বেশি বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল পিএসজির হাতে।

প্রথমার্ধে আরও কিছু সুযোগ তৈরি করেছিল পিএসজি, তবে কাজে লাগেনি। ম্যাচের প্রায় পুরোটা সময় নিয়ন্ত্রণ করেছে ফরাসি জায়ান্টরা। পরে ওই ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় পিএসজি।







