ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে বরিশালে দুই ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে ছাত্র জনতা। অবরোধ চলাকালে সড়কের উভয় পাশে দুই শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে। এতে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। কর্মসূচি উপলক্ষে সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা জড়ো হন।
সোমবার ২২ ডিসেম্বর সকাল ১০ টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর বাস স্ট্যান্ডে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বরিশাল জেলা ছাত্রলের সাবেক সহ সভাপতি সবুজ আকনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
পরে ঢাকা-বরিশাল মহা সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে ঘণ্টাব্যাপী রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বরিশালে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকালে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। বক্তারা বলেন, হাদি বীর বিপ্লবী নেতা ছিল। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র উসমান হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি করা হয় এবং পরবর্তীতে বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
ছাত্রনেতা সবুজ আকন বলেন, হাদিকে ভারতের আগ্রাসীর কারণে হত্যা করা হয়েছে। হাদির হত্যার দায় প্রশাসন ও শেখ হাসিনাকে নিতে হবে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র পরিণত করতে চায়। হাদি ভারতের আগ্রাসীর ভূমিকার প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যা করা হয়। হাদির হত্যার সাথে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। উসমান হাদি যেহেতু বরিশালের সন্তান, সেহেতু বরিশাল বিমানবন্দর শহীদ উসমান হাদি নামে করার দাবি জানান। বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে মহা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।








