চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Group

আদালত অবমাননা আইন অবৈধ ঘোষণার রায় প্রকাশ

Nagod
Bkash July

২০১৩ সালের আদালত অবমাননা আইনটিকে অবৈধ ও সংবিধান-পরিপন্থী ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায়টি অবশেষে ৯ বছর প্রকাশিত হয়েছে।

Reneta June

২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ বি এম আলতাফ হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চের দেয়া রায়টি হাতে পেয়েছেন রিটের পক্ষের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বুধবার চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘২০১৩ সালের আদালত অবমাননা আইনকে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়টি বহাল থাকায় ১৯২৬ সালের আদালত অবমাননার আইন পুনর্বহাল হয়েছে।’

১৯২৬ সালের আদালত অবমাননার আইন রহিত করে ২০১৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে আদালত অবমাননা আইন পাস হয়। একই বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আইনটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে আইনের ৪, ৫, ৬, ৭, ৯, ১০, ১১ ও ১৩ (২) ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী ও আয়শা খাতুন। সে রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। এরপর রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। রায়ে আদালত বলেন, যেকোনো আইনে দেশের সব নাগরিককে সমান অধিকার দেওয়া হয়ে থাকে। এই আইনে সেকশন অব পিপলকে (জনগণের একটা অংশকে) সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে, যা বৈষম্যমূলক, সংবিধানের ২৭, ১০৮ ও ১১২ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। তাই এই আইনের ৪, ৫, ৬, ৭, ৯, ১০, ১১ ও ১৩(২) ধারা সংবিধানের ১০৮, ১১২ ও ২৭ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত।

এছাড়া রায় ঘোষণায় আদালত বলেন, অবশ্যই সত্য প্রকাশ ও সমালোচনার সীমা অবারিত নয়। বিধিনিষেধ ছাড়া অবারিত স্বাধীনতা পূর্ণ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। সঠিক ও সত্য প্রকাশের একটি নির্দিষ্ট পরিমণ্ডল থাকতে হবে। আমরা চাই না, কারও হাত বাঁধা থাকুক। আমরা প্রতিদিনই প্রেসের (গণমাধ্যম) সাহায্য নিই। প্রেস শক্তিশালী মাধ্যম। আমরা প্রেসকে লিমিট করতে চাই না। আবার প্রেসও যেন লিমিটের বাইরে না যায়।আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এটা করতে হয়।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত রায়।

 

BSH
Bellow Post-Green View