বছর তিনেক আগে একটি গল্প আসে নির্মাতা প্রবীর রায় চৌধুরীর মাথায়। ভেবেছিলেন, এই গল্পে সিনেমা বানাবেন! কিন্তু ইদানিং নাটকের বাজেট বেশি হওয়ায় জোভান ও তটিনীকে সেই গল্পে ‘প্রিয় নামে ডেকো’ নামে একটি নাটক বানিয়েছেন নির্মাতা। গেল ঈদ উপলক্ষে নাটকটি মুক্তি পেয়েছে।
যৌথভাবে নাটকটির চিত্রনাট্য করেছেন আহমেদ তাওকীর এবং প্রবীর রায় চৌধুরী। দুই সপ্তাহ আগে ইউটিউবে আসা নাটকটি প্রায় ৬০ লাখ দর্শক দেখেছে, এবং দুই হাজারের কাছাকাছি দর্শক ‘প্রিয় নামে ডেকো’ দেখে মন্তব্য করেন।
হাসান ফারুক লিখেছেন, ঈদে অনেকগুলো নাটক নাটক দেখলাম। এরমধ্যে ‘প্রিয় নামে ডেকো’ অসম্ভব সুন্দর, যা ভাষায় ব্যাক্ষা করা যাবেনা। শাহাদত নামে এক দর্শক লিখেছেন, নাটকটি খুবই ভালো হয়েছে নাটকটা মনে রাখার মতন।
এই নাটক দেখে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পেয়েছেন সাফী নামে একজন দর্শক। তিনি লিখেছেন,“নাটকে আমার জীবনের সাথে অনেক মিল। আমার স্ত্রীকে বলতে চাই, বিয়ের পর থেকে হয়তো আমাকে স্বামী হিসাবে মেনে নিতে পারোনি, কখনো মন থেকে ভালোবাসনি, জানি সে এসে যেদিন তোমাকে ডাকবে সেদিন তুমি চলে যাবা। যেও আমি বাধা দেবো না। তবে মনে রেখো আমৃত্যু তোমাকেই ভালোবেসে যাবো।”
শর্মীলা নামে আরেক দর্শক লিখেছেন, ‘প্রিয় নামে ডেকো’ নাটকটি সবদিক থেকে ভালো লাগলো। দুষ্টুমি ভালোবাসা কষ্ট এবং শেষ পর্যন্ত দুজনের ভালোবাসা পূর্ণতা। খুব খুব ধন্যবাদ এত সুন্দর নাটক উপহার দেওয়ার জন্য। জোভান-তটিনী তাদের দুজনের জুটিটা খুব সুন্দর লাগে।
গেল ঈদে বহু নাটকের ভিড়ে ‘প্রিয় নামে ডেকো’ প্রসঙ্গে প্রবীর রায় চৌধুর বলেন, অনেক নাটকের ভিড়ে এই কাজটি নিয়েও দর্শক কথা বলছেন দেখে সত্যিই ভালো লাগছে। আমি সবসময় এই জেনারেশনের গল্প বলি। সেখান থেকে এবার এই নাটকের মাধ্যমে কিছুটা আগের জেনারেশনের গল্প বলেছি। শুরুটা সন্দিহান ছিলাম মানুষ পছন্দ করবে কিনা। কিন্তু রিলিজের পর দর্শকরাই সেই ভয় কাটিয়ে পছন্দের তালিকায় রেখেছেন।
আহমেদ তাওকীর বলেন, দর্শকদের গঠনমূলক মন্তব্য এবং গল্প ও লেখা যদি দর্শকদের আনন্দিত করে থাকে এবং তাদের মনের মধ্যে ভাবনার সৃষ্টি হয়, একজন লেখক হিসেবে প্রাপ্তি বা স্বার্থকতা হিসেবে দেখি। ‘প্রিয় নামে ডেকো’ থেকে দর্শক যে রেসপন্স দিচ্ছে সেটা পরবর্তী কাজের অনুপ্রেরণা পাচ্ছি।







