প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ কক্সবাজারে নবনির্মিত আইকনিক স্টেশন থেকে কক্সবাজার-দোলহাজারী রেলপ্রকল্পের রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
আজ (১১ নভেম্বর) শনিবার দুপুর ১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার-দোলহাজারী রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর অতিথিদের নিয়ে আইকনিক রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে এবং পতাকা উড়িয়ে ট্রেনের হুইসেল বাজিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ট্রেনে চড়ে রামু পর্যন্ত ভ্রমণ করবেন এবং সেখান থেকে সুধী সমাবেশে বক্তব্য প্রদান করবেন।
উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রেলে কক্সবাজার আসা যাবে এটা অনেকের আকাঙ্ক্ষা ছিল। আজকে আমরা সেটা করেছি এবং এটা হবে ফার্স্ট রাক প্রকল্প। এছাড়াও ভবিষ্যতে সকল জেলা থেকে কক্সবাজারের রেলপথ তৈরির আশ্বাস দেন তিনি।
তিনি বলেন, আগামী ৩ থেকে ৪ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাতে উন্নিত হয় সেই পদক্ষেপ আমরা হাতে নিয়েছি এবং সেটাই আমরা বাস্তবায়ন করব। সমগ্র বাংলাদেশ থেকে যাতে কক্সবাজার আসা যায় সেই ব্যাবস্থা আমরা নিব। ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ের সাথে আমরা যুক্ত হতে চাই।
ঝিনুকের আদলে গড়ে তোলা কক্সবাজারে নবনির্মিত আইকনিক স্টেশনটিকে সবচেয়ে সুন্দর স্টেশন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী স্টেশনটি পরিচ্ছন্ন রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় ভবিষ্যতে রেলে ওয়াই-ফাই সুবিধাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা যুক্ত করার কথা জানান তিনি।
২০১০ সালে ৬ জুলাই দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। ২০১১ সালের ০৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মেগা প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে টেন্ডার হলে দোহাজারি-চকরিয়া এবং চকরিয়া-কক্সবাজার (লট-১ ও লট-২) এই দুই লটে চীনা প্রতিষ্ঠান সিআরসি (চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন) ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তমা। কনসট্রাকশন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পায়। কার্যাদেশ দেয়ার পর পর ২০১৮ সালে এই মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এই ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১৮ হাজার কোটি টাকা।







