সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন করে সৃষ্ট সংগীত শিক্ষক ও শরীরচর্চা শিক্ষকের পদ বাতিল করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলোর সমালোচনা ছিল ওই পদগুলোর বিষয়ে।
আজ (৩ নভেম্বর) সোমবার দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয় অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাসুদ আকতার খান গণমাধ্যমকে জানান, রোববার সংশোধিত বিধিমালার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। আগের বিধিমালায় শিক্ষক পদ চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হলেও সংশোধিত সংস্করণে রাখা হয়েছে দুটি। সংগীত ও শরীরচর্চা বিষয়ে সহকারী শিক্ষকের পদ নতুন বিধিমালায় নেই।
বিধিমালার কাঠামোগত পরিবর্তনের পাশাপাশি কিছু শব্দগত সংশোধনও আনা হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে পদ দুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত ধর্মীয় সংগঠনগুলোর চাপের ফল কি না—এমন প্রশ্নে অতিরিক্ত সচিব মন্তব্য তিনি বলেন, আপনারা এটি খতিয়ে দেখতে পারেন।
আগের বিধিমালায় উল্লেখ ছিল, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ২০ শতাংশ পদ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের এবং বাকি ৮০ শতাংশ পদ অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের জন্য নির্ধারিত থাকবে। এই অংশে বিভ্রান্তি দূর করতে সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, ৮০ শতাংশ পদের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্যূন স্নাতক ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর থেকেই কিছু ধর্মভিত্তিক সংগঠন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে আপত্তি জানায় এবং সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। শেষ পর্যন্ত সরকার সেই পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।







