চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বিএনপি কার্যালয় সিলগালা, নয়াপল্টন এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ

Nagod
Bkash July

নয়া পল্টনে বিএনপির দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয় সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। কার্যালয়ে সামনে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার মোতায়েন করে পুরো অফিস ঘিরে রাখা হয়েছে। রাজধানীর নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকা অনেকটাই থমথমে বিরাজ করছে। ফকিরাপুল চৌরাস্তা থেকে নাইটেঙ্গেল মোড় পর্যন্ত সড়কে বেরিকেড দিয়ে সব ধরনের যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

Reneta June

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, গতকাল (বুধবার) সেখানে পুলিশ সদস্যদের ওপর বোমা ফেলা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে পুলিশ বিএনপি কার্যালয়ের ভেতর থেকে ককটেল বোমা উদ্ধার করেছে। এটা এখন প্লেস অব অফেনস। পুলিশের ক্রাইম সিনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে কাউকে যেতে দেওয়া হবে না।

পল্টনে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশ বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পল্টন ও মতিঝিল থানায় চার মামলা করেছে পুলিশ।

আজ বিকেলের পর থেকে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে বিএনপি কার্যালয়ের সামনের সড়ক। কার্যালয়ের সামনে ভিড়তে পাড়েনি বিএনপির নেতাকর্মীরা। তবে বিক্ষিপ্তভাবে তাদের অনেকে দলের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেছেন।

বিএনপির অফিসে তালা দেওয়া হয়েছে গতকালই। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নয়াপল্টনমুখী সবাইকে তল্লাশি করছে পুলিশ। পরিচয়পত্র দেখা হচ্ছ। জানতে চাওয়া হচ্ছে সেদিকে যাওয়ার কারণ। এছাড়া রাজধানীর প্রবেশদ্বারসহ বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক পাহারা বসিয়েছে পুলিশ। সেখানে জনসাধারণকে তল্লাশি করতে দেখা গেছে।

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় দলটির নেতাকর্মীদের। এতে মকবুল হোসেন (৪০) নামে একজন নিহত হন। এছাড়া আহত হন আরও ২০ জন। সংঘর্ষের সময় টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ। বিএনপির নেতাকর্মীরাও লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশকে ধাওয়া করে। এরপর সংঘর্ষ শেষে বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালায় পুলিশ।

অভিযানে বিএনপির তিন শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যেখানে কেন্দ্রীয় প্রায় আটজন নেতা রয়েছেন।

সারা দেশে বিএনপি’র টানা ৯টি বিভাগীয় সমাবেশের পর ঢাকার ১০ ডিসেম্বর (শনিবার) বিএনপির সমাবেশ ঘিরে সমাবেশ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পল্টন এলাকা। বুধবার নয়া পল্টন এলাকায় পুলিশ বিএনপি- সংঘর্ষ, একজনের মৃত্যু ও নেতাকর্মী গ্রেপ্তারসহ কিছু ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবারও নয়া পল্টনে পুলিশের অবস্থান থাকে। এ অবস্থায় গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি মহাসচিব।

জানা গেছে, বিএনপির নেতাকর্মীরা বুধবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন। দুপুরে নেতাকর্মীদের বেশ ভিড় দেখা যায়। এসময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। বিএনপির নেতাকর্মীরাও লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশকে ধাওয়া করে। দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে নয়াপল্টন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে দলের কার্যালয়ের সামনের সড়কে নেতাকর্মীরা দফায় দফায় মিছিল করেন। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেন।

 

BSH
Bellow Post-Green View