জুলাই বিপ্লবে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিল নাগরিক সাংবাদিকতা। তথ্য দিয়ে আন্দোলনের পুরো স্পিরিটটা ধরে রেখেছিলেন শ্রমজীবী মানুষদের উল্লেখযোগ্য একটা অংশ। ঝুঁকি নিয়ে তারা অত্যাচারের ভয়বহতা মোবাইলে তুলে সারা বিশ্বকে জানিয়েছিল।
এমন নাগরিক সাংবাদিকতাকে আরও উৎসাহিত করার জন্য এবং আন্দোলনকালীন তাদের ভাবনাগুলি উপস্থাপনের এই আয়োজনকে শিল্পকলা একাডেমি তাৎপর্যপূর্ণ মনে করে। আর তাই বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষদের নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা করছে শিল্পকলা একাডেমি।
সে লক্ষ্যেই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের আয়োজনে সোমবার (৯ ডিসেম্বর) থেকে শুরু করেছে ‘আমাদের গল্প আমরাই বলবো, মেহনতি জনতার জন্য আলোকচিত্র প্রশিক্ষণ’।
সকাল ১০টায় পুরান ঢাকার মিরন জল্লা হরিজন পল্লীতে শুরু হয় তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণ চলবে বুধবার (১১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত, প্রতিদিন সকাল ১০টা-বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
ভিন্ন ভিন্ন স্থানে সর্বোচ্চ ১৫জন প্রশিক্ষণার্থী নিয়ে ৩ দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। আগামী ১৩-১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত কমলাপুর রেল স্টেশনে কুলি সম্প্রদায়কে নিয়ে; ১৫-১৭ ডিসেম্বর সেগুনবাগিচায় গৃহ শ্রমিকদের নিয়ে; ২৪-২৬ডিসেম্বর গাজী সরণী-২, পূর্ব বাড্ডায় রিকশা শ্রমিকদের নিয়ে এবং ২৭-২৯ ডিসেম্বর গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিয়ে আশুলিয়ার গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম নরসিংহপুরে অনুষ্ঠিত হবে।
এ সম্পর্কে একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক এ এফ এম নুরুর রহমান বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে যখন সাংবাদিক এবং গণমাধ্যমকে নিষ্ক্রিয় রাখা হয়েছিল, ইন্টারনেট পরিসেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল তখনই আমরা বুঝেছিলাম নাগরিক সাংবাদিকতার গুরুত্ব কতখানি।’








