মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং কনজারভেটিভ অ্যাকটিভিস্ট চার্লি কার্ককে হত্যায় জড়িত একজনের ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।
বৃহস্পতিবার ১১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদেন এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী চার্লি কার্ককে হত্যা করা হয়। হত্যাকারী স্নাইপার গুলি করার পর ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। এছাড়া হত্যাকারীর উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রাইফেলটি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে এফবিআই।
পরবর্তীতে এফবিআই চার্লি কার্কের গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তির দুটি ছবিও প্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে তদন্তকারীরা জনসাধারণের কাছে তথ্যের জন্য আবেদন করেছেন। প্রকাশিত ছবি দুটিতে টুপি, সানগ্লাস এবং লম্বা হাতা কালো শার্ট পরা এক ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে।
ইউটাহ ডিপিএস কমিশনার বিউ ম্যাসন বলেছেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তি কলেজ পড়ুয়া বয়সী বলে মনে হচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, পুলিশের কাছে সন্দেহভাজনের ছবি রয়েছে। আমরা সেই ব্যক্তিকে ট্র্যাক করছি।
এফবিআইয়ের বিশেষ এজেন্ট রবার্ট বোহলস বলেছেন, বন্দুকধারী যে রাস্তা দিয়ে পালিয়েছে, সে বনভূমিতে রাইফেলটি পাওয়া গেছে। রাইফেলটি এফবিআই পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, ওই ব্যক্তির পায়ের ছাপ এবং হাতের ছাপ পাওয়া গেছে। যা নিয়ে আরও গবেষণা করা হবে।
ম্যাসন বলেছেন, তিনি গত রাতে কার্কের স্ত্রী এরিকার সাথে কথা বলেছেন এবং জানিয়েছেন, পরিবারটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
জননিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় বুধবার দুজনকে আটক করা হয়েছিল কিন্তু কেউই গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত কিনা তা নিশ্চিত করা হয়নি। একারণে দুজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ হত্যাকাণ্ডের পর ট্রাম্প পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগনে ৯/১১-এর স্মরণসভায় দেয়া বক্তব্যে চার্লি কার্ককে মরণোত্তর ‘প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম’ পদক দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একজন বেসামরিক ব্যক্তিকে দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মান।








