চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথমদিনটা নিজেদের করে নিয়েছে সাউথ আফ্রিকা। টনি ডি জর্জি ও ত্রিস্তান স্টাবসের সেঞ্চুরিতে ২ উইকেটে ৩০৭ রান তুলেছে সফরকারী দল। বাংলাদেশের সাফল্য কেবল দুটি উইকেট। প্রথমদিন প্রোটিয়াদের দখলে থাকলেও হতাশ নন বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স।
দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে এমন জানিয়েছেন সিমন্স। বলেছেন, ‘আমি হতাশ, এটা বলতে পারি না। এখানে চমৎকার ব্যাটিং উইকেট। মনে করি বোলাররা কঠোর পরিশ্রম করেছে এবং ভালো বোলিং করেছে। কিছু সুযোগ মিস হয়েছে। তবে অন্যরকম হতে পারত, চার বা পাঁচটি উইকেটও পেতে পারতাম। এটি একটি কঠিন দিন। সবমিলিয়ে একটা কঠিন দিন, তবে এটাকে হতাশার বলব না।’
ঢাকা টেস্টে চারজন বোলার নিয়ে খেলেছিল বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে পার্থক্য কেবল একজন স্পিনার কমিয়ে দ্বিতীয় পেসার হিসেবে নাহিদ রানাকে নেয়া। বিশেষজ্ঞ চার বোলার নিয়ে ব্যাটিং উইকেটে প্রথমদিন কঠিন সংগ্রাম করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে পঞ্চম বোলার নেয়া হয়নি, জানিয়েছেন টাইগার কোচ।
‘পঞ্চম বোলার খেলানোর চিন্তা ছিল। যখন ব্যাটিং ব্যর্থতা চলছে, তখন মাঝে মাঝে এই দিকেই একটু ঝোকা লাগে। মনে করি, সেটি বিবেচনাতেই ছিল। প্রথমে লক্ষ্য টেস্ট ম্যাচটি জেতা, আর যদি জয়ের পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব না হয়, তবে সেটি অন্তত বাঁচানোর মতো করতে হবে। টেস্ট ম্যাচ এত সহজে ছেড়ে দেয়া যায় না। এদিক বিবেচনা করে চার বোলার নিয়ে মাঠে নেমেছি।’
দ্বিতীয় দিনে দ্রুত উইকেট নেয়ার প্রত্যাশা টাইগার কোচের। বলেছেন, ‘দলের পরিকল্পনা হচ্ছে, কাল সকালে আমাদের দ্রুত উইকেট নিতে হবে। এরপর, যখন আমরা ব্যাট করবো- আমরা টেস্ট ম্যাচে দেখেছি, পাকিস্তানে একটি দলের ৫০০, অন্য দলের ৮০০ রান হয়েছে এবং তাতেও ফল হয়েছে। তাই সবসময়ই একটি ফল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমরা আজকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কালকে ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করবো। প্রথমেই টেস্ট ম্যাচটি জেতার বিষয়টি ভাবা উচিত, তারপর অন্যকিছু।’







