থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে আনুষ্ঠানিক নিয়োগ দিলেন দেশটির রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন। চলতি মাসেই পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে প্রধানমন্ত্রী পদে জয় পান ৩৭ বছর বয়সী পেতংতার্ন।
আলজাজিরা জানিয়েছে, গত রোববার (১৮ আগস্ট) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আয়োজিত এক রাজকীয় অনুষ্ঠানে দেশটির সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে রাজার দেওয়া নিয়োগপত্র পাঠ করেন প্রতিনিধি পরিষদের সেক্রেটারি আপাত সুখানান্দ। আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে রাজার প্রতিকৃতির সামনে হাঁটু গেড়ে বসে সম্মান প্রদর্শন করেন পেতংতার্ন।
এসময় তিনি বলেন, নির্বাহী বিভাগের প্রধান হিসেবে আমি উন্মুক্ত হৃদয়ে বিধায়কদের সাথে আমার দায়িত্ব পালন করব। তিনি আরও বলেন, আমি সবার মতামত শুনব যাতে সবাই মিলে আমরা স্থিতিশীলতার সাথে দেশকে এগিয়ে নিতে পারি।
শুক্রবার ১৬ আগস্ট দেশটির পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে আইনপ্রণেতারা ৩৭ বছর বয়সী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ভোটাভুটিতে পেতংতার্নের পক্ষে ৩১৯টি ভোট পড়েছে।
তার বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১৪৫টি ভোট। এর আগে, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনকে পদচ্যুত করা হয়। দেশটির সাংবিধানিক আদালত তাকে পদচ্যুত করার পাশাপাশি মন্ত্রিসভাও ভেঙে দেয়।
স্রেথার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত এক আইনজীবীকে মন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছিলেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি ‘নৈতিকতার নিয়ম লঙ্ঘন’ করেছেন।
পেতংতার্ন হলেন গত দুই দশকে থাইল্যান্ডের সিনাওয়াত্রা পরিবার থেকে প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া চতুর্থ ব্যক্তি। এই পরিবারের বাকি তিনজনের সবাইকে সেনা অভ্যুত্থান কিংবা সাংবিধানিক আদালতের রায়ে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছে।







