প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করে নিতে রাজশাহী নগরীর পাশাপাশি রাজশাহী বিভাগের আটটি উপজেলার উৎসাহী মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছেন। রোববার (২৯ জানুয়ারি) ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে প্রধান অতিথি হিসেবে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মহানগরীকে বর্ণাঢ্য সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। নগরীর রাস্তার পাশের দেয়ালগুলোতে ব্যানার, পোস্টার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজশাহী নগরী ও জেলা ইউনিট এ জনসভার আয়োজন করছে।
জনসভায় ভাষণ দেয়া ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী প্রায় ১৩১৬ দশমিক ৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।এছাড়াও প্রায় ৩৭৬ দশমিক ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আরো ছয়টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহীর মেয়র এএইচএম খাইরুজ্জামান লিটন বলেন, জনসভা ও এর আশপাশের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকার জনসাধারণ যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ শুনতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জনসভাটি সফল করার প্রস্তুতিতে সহায়তার জন্য বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবী নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে।এখন প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ চলছে। মেয়র লিটন বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই জনসভাকে সফল করতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
এদিকে জনসমাবেশটি সফল করতে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ।
আরএমপি কমিশনার আনিসুর রহমান বাসসকে বলেন, নগরীতে ২০২৩ সালের ২৭ জানুয়ারি সকাল ৬টা থেকে ৩০ জানুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত সকল প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য ও আতশবাজী বহন, ব্যবহার ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ওই সময়ে পূর্ব অনুমতি ছাড়া ড্রোন চালানো নিষিদ্ধ। এছাড়াও ওই সময়ে দেশি-বিদেশি মদ, স্পিরিট ও অ্যালকোহলসহ সব ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও নিরাপত্তা কর্মীরা এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত। যেহেতু এখানে দুর-দুরান্ত থেকে বিপুল সংখ্যায় লোকজনের সমাগম হওয়ার কথা, তাই জনসভাটিকে কেন্দ্র করে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতেই এইসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।







