দীর্ঘ ২৩ বছর পর আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। এই সম্মেলনকে ঘিরে জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দেখা দিয়েছে প্রাণ চাঞ্চল্য ও উৎসবের আমেজ। বর্ণিল আলোকসজ্জা, ব্যানার ফেস্টুন ও তোরণে ছেয়ে গেছে পুরো শহর। প্রস্তুত করা হয়েছে মঞ্চ।
প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী যোগ দিবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনটি শীর্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এক ডজনেরও বেশি নেতা।
সর্বশেষ ২০০২ সালে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সম্মেলন হয়েছিল। এরপর দুই দশক ধরে আটকে ছিল সম্মেলন। জেলা-উপজেলার নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে জেলা শহর। ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে সকল প্রস্তুতি।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব স্নেহাংশু সরকার কুট্টি বলেন, এবারে সম্মেলনে নেতৃত্ব নির্বাচন হবে গঠনতান্ত্রিক, অংশগ্রহণমূলক এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটের ভিত্তিতেই নির্বাচিত হবে আগামী নেতৃত্ব। এ উপলক্ষে কেন্দ্র থেকে একজন সিনিয়র আইনজীবী ও দুই সহকারী অধ্যাপকের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন।
জেলা বিএনপির নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল হক ফরাজী বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক—এই তিনটি শীর্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এক ডজনেরও বেশি নেতা।
সম্মেলনে যোগ্য নেতৃত্ব পাওয়ার আশাবাদী নেতাকর্মীরা। যারা বিগত দিনে আন্দোলন সংগ্রাম থেকে শুরু করে সংগঠন ও কর্মীদের সঙ্গে ছিল এবং দলের হাল ধরতে পারবে এমন অভিভাবক চায় কাউন্সিলররা।
বরিশাল বিভাগের মধ্যে প্রথম জেলা হিসেবে সম্মেলনের আয়োজন করছে পটুয়াখালী জেলা বিএনপি। নেতারা বলছেন, এটি বিভক্তির নয় বরং ঐক্যের সম্মেলন। এই কমিটিই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন বলে এই সম্মেলনের গুরুত্ব অনেক।
কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ ও ফল ঘোষণা।
তৃণমূলের প্রত্যাশা—গনতান্ত্রিক পদ্ধতির এই সম্মেলন থেকে নির্বাচিত নেতৃত্ব সংগঠনকে সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী করে অগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের প্রার্থী বিজয় করতে সক্ষম হবে।








