তিন বছর আগে টোকিও অলিম্পিকে মেয়েদের ফুটবলে স্বর্ণপদক জিতেছিল কানাডা। পদক ধরে রাখার লক্ষ্যে প্যারিস অলিম্পিকে আসা দলটি ড্রোন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়েছে। কানাডা দলের এক সহকারী কোচ এবং এক বিশ্লেষককে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে অলিম্পিক থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে সেন্ট-এতিয়েনে নিউজিল্যান্ডের অনুশীলন সেশনে একটি ড্রোন ওড়ানোর জন্য ফরাসি কর্তৃপক্ষ এক সদস্যকে আটক করে। পরে জানা যায়, প্রতিপক্ষের অনুশীলন সম্পর্কে গোপনে জানার জন্য কানাডা দল ড্রোন ওড়ানোর পরিকল্পনায় জড়িত।
কানাডিয়ান অলিম্পিক কমিটি (সিওসি) বলেছে, ‘নিউজিল্যান্ডের সাথে জড়িত একটি ঘটনার বিষয়ে তারা জানতে পেরেছে। আইওসি (আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি) ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের কাছে অভিযোগ দায়েরের প্রেক্ষিতে কানাডার কাছে জবাব চেয়েছে।’
‘আইওসি এবং ফিফার সাথে যোগাযোগ করছে সিওসি। কানাডা সকার পুরো প্রক্রিয়া জুড়ে স্বচ্ছ এবং সহযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে। সিওসি এ বিষয়ে পর্যালোচনা চালিয়ে যাবে এবং প্রয়োজনে আরও ব্যবস্থা নিতে পারে।’
ফুটবল দলের সহকারী কোচ জেসমিন ম্যান্ডার এবং বিশ্লেষক জোসেফ লোম্বার্ডিকে ড্রোন ওড়ানোর দায়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর ক্ষমা চেয়ে প্রধান কোচ বেভ প্রিস্টম্যান বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ডাগআউটে না থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।
‘আমাদের পুরো দলের পক্ষ থেকে প্রথমে নিউজিল্যান্ড ফুটবলের খেলোয়াড় এবং তাদের কর্মীদের কাছে এবং টিম কানাডার খেলোয়াড়দের কাছে ক্ষমা চাইছি। এ ঘটনা আমাদের দলের যে মান, সেটির প্রতিনিধিত্ব করে না।’
‘আমাদের আচরণের জন্য আমি চূড়ান্তভাবে দায়ী। সততার প্রতি আমাদের দলের প্রতিশ্রুতিতে জোর দেয়ার জন্য আমি বৃহস্পতিবার ম্যাচের কোচিং থেকে স্বেচ্ছায় নিজেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’








