ব্যাট হাতে ভালো সময় যাচ্ছে না মুশফিকুর রহিমের। ওয়ানডেতে সবশেষ ১৫ ইনিংসে মাত্র একটি হাফ সেঞ্চুরি এসেছে ব্যাট থেকে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও ব্যর্থতা। ভারতের বিপক্ষে শূন্য রানে আউটের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আউট হয়েছেন ২ রানে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও ভালো করতে পারেননি। ভারতের বিপক্ষে চোটের কারণে খেলা হয়নি তার, কিউই ম্যাচে করেছেন ৪ রান। অভিজ্ঞ টাইগার ব্যাটারের সমালোচনা চলছে। অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার যদিও পাশেই পাচ্ছেন দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে।
আসরে শুরু ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ভারত ও নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে। নিজেদের শেষ ম্যাচে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বিপক্ষে নামবে টিম টাইগার্স। রাওয়ালপিন্ডিতে বাংলাদেশ সময় বিকেল তিনটায় গড়াবে লড়াই। ম্যাচের আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে এসে দুই অভিজ্ঞের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।
বলেছেন, ‘সিনিয়রদের বাড়তি দায়িত্বের কথা আসছে। আমার মনে হয় যে, ১৫ জন স্কোয়াডে আছে, বা যে ১১ জন খেলে একাদশে তাদের সবারই সমান দায়িত্ব। সিনিয়রদের তো বাড়তি টাকা দেয়া হয় না। এখানে সবারই সমান পারফর্ম করতে হবে। এটা জাতীয় দল, এখানে সবারই সমান দায়িত্ব। এখানে প্রত্যেকেরই সমান দায়িত্ব আছে, কারও জন্য অতিরিক্ত নেই। আমার মনে হয় তাদের সবাইকে সমানভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একটা টুর্নামেন্টে কেউ ভালো না খেলতেই পারে।’
‘এখানে এক-দুই জনের দোষ না দিয়ে পুরো দল হিসেবেই আমরা খারাপ খেলেছি বলে ম্যাচ হেরেছি। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দিয়ে কোনো লাভ নেই। তাওহীদ ১০০ মেরেছে, কিন্তু দিন শেষে তো আমরা ম্যাচ হেরেছি।’
বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে সবচেয়ে বড় চমক ছিল লিটন দাসের না থাকা। ফর্মের কারণে তাকে বাদ দিয়ে স্কোয়াড ঘোষণা করে বিসিবি। টুর্নামেন্টে টপঅর্ডারে খেলা ব্যাটারদের ভালো করতে না পারায় প্রশ্ন উঠেছে লিটনের না থাকা নিয়ে। সালাউদ্দিন অবশ্য পাত্তাই দেননি সে প্রসঙ্গ।
‘অতীত নিয়ে পড়ে থাকি না। আমাদের স্কোয়াডে ১৫ জন ক্রিকেটার আছে, আমাদের তাদেরকে নিয়ে ভাবতে হবে। আমাদের কাছে যা নেই তা নিয়ে এখানে কিছুই করতে পারব না। টুর্নামেন্ট শেষে আমরা এটা নিয়ে ভাববো। আমরা যাদেরকে পেয়েছি স্কোয়াডে তারাই আমাদের সেরা ক্রিকেটার।’






