পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলগতভাবেই দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির অন্তত ২০টি আসন পাওয়ার যোগ্য বলে রায় দিয়েছে পাকিস্তানের শীর্ষ আদালত। এর মাধ্যমে দলটিকে স্বীকৃতি ফিরিয়ে দিল আদালত।
এবিসি নিউজ জানিয়েছে, গতকাল (১২ জুলাই) শুক্রবার পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট কার্যত দেশটির নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত খারিজ করে এই রায় দিয়েছে। যেহেতু পিটিআই দল হিসেবে দেশটির নির্বাচনে অংশ নেয়নি তাই এই মামলায় নির্বাচন কমিশনে যুক্তি ছিল, আনুপাতিক ভোটের হার অনুযায়ী শুধুমাত্র স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলোরই মহিলা এবং সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত ৭০টি আসন প্রাপ্য।
এই রায়ের পর প্রতিবাদে বিক্ষোভে নেমেছে পাকিস্তানের শাসক দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এর নেতা-কর্মীরা। এর জেরে দেশটির পঞ্জাব, খাইবার-পাখতুনখোয়া এবং সিন্ধু প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকটি স্থানে ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের সঙ্গে শাসকজোটের সমর্থকদের সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন পিটিআইয়ের স্বীকৃতি বাতিল করায় দলগত ভাবে ভোটে লড়তে না পারলেও নির্বাচনে ইমরান খানের সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ে ৮৪টি আসনে জিতেছিলেন। যেখানে শাসক জোট পিএমএলএন ১০৮ এবং পিপিপি ২১টিতে জেতে। আদালতের রায়ে অন্তত ২০টি সংরক্ষিত আসনের দখল পেলে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের দল পিএমএলএনের সঙ্গে ব্যবধান কমবে পিটিআইয়ের।








