নাটকীয়তা শেষে এক ঘণ্টা পর গড়ায় পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ম্যাচ। আগে ব্যাটে নামা পাকিস্তান ব্যাটারদের পরীক্ষা নিয়েছিলেন স্বাগতিক বোলাররা। তবে ফখর জামানের ফিফটি ও শাহিন আফ্রিদ্রির ঝড়ো ক্যামিওতে লড়াইয়ের পূঁজি গড়ে পাকিস্তান। বাকি কাজটা সেরেছেন বোলাররা। ৪১ রানে আমিরাতকে হারিয়ে ‘এ’ গ্রুপ থেকে সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে সালমান আলি আগার দল। একইসঙ্গে এক ম্যাচ হাতে রেখে ভারতও টিকিট কেটেছে সুপার ফোরের টিকিট।
দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে এগিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে ভারত। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে পাকিস্তান। এই ম্যাচ দিয়েই শেষ হয়েছে আরব আমিরাতের এশিয় কাপ যাত্রা। ৩ ম্যাচে ১টি জয় পেয়েছে তারা। এখনও কোনো জয় না পাওয়া ওমান নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে ভারতের বিপক্ষে।
ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটকে অপসারণের দাবিতে নির্দিষ্ট সময়ে মাঠে আসেনি পাকিস্তান। পরে পিসিবি ও এসিসি সভাপতি মহসীন নকভির অনুরোধে মাঠে যায় ক্রিকেটাররা। এক ঘণ্টা পর খেলা গড়ায়।
দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে পাকিস্তানকে আগে ব্যাটে পাঠায় আমিরাত। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে পাকিস্তান ৯ উইকেটে ১৪৬ রান করে। জবাবে নেমে ১৭.৪ ওভারে ১০৫ রানে থামে স্বাগতিকদের ইনিংস।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেছেন ফখর। ৩৬ বলের ইনিংসটিতে ছিল ২টি চার ও ৩টি ছক্কার মার। শেষদিকে শাহিন শাহ আফ্রিদি ৩ চার ও ২ ছক্কায় ১৪ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া সালমান ২৭ বলে ২০ এবং মোহাম্মদ হারিস ১৪ বলে ১৮ রান করেন।
আমিরাত বোলার জুনায়েদ সিদ্দিকি ৪ উইকেট নেন। সিমরানজিৎ সিং নেন ৩ উইকেট।
জবাবে নেমে আমিরাতের চার ব্যাটার দুঅঙ্কের ঘরে পৌঁছেছেন। ৩৫ বলে ৩৫ রান করেন রাহুল চোপড়া। ২৩ বলে ২০ রান করেন ধ্রুব পারাশার। এছাড়াা মোহাম্মদ ওয়াসিম ১৫ বলে ১৪ এবং আলিশান শারাফু ৮ বলে ১২ রান করেন।
পাকিস্তান বোলারদের মধ্যে শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ ও আবরার আহমেদ দুটি করে উইকেট নেন।








