এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
বাংলাদেশের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের পর থেকে পাকিস্তানের রাজনীতির শেষ নেই। সবশেষ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের ম্যাচ না খেলার কথা জানিয়েছে দেশটির সরকার। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। বলেছেন, সময় এসেছে আইসিসির নিরপেক্ষতা ও স্বাধীন সংস্থা হিসেবে প্রমাণের।
হাইব্রিড মডেলে হতে চলা বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ হওয়ার কথা পাকিস্তানের। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বর্জন করায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বক্তব্য দিচ্ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সবশেষ জানিয়েছে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না তারা।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি বলেছেন, ‘আমি সবসময় বিশ্বাস করি, রাজনীতি যখন দরজা বন্ধ করে ক্রিকেট সেই দরজা খুলতে পারে। দুঃখজনকভাবে, পাকিস্তান টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে না। আমি সরকারের সিদ্ধান্তের পক্ষে থাকব। সময় এসেছে সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আইসিসির নেতৃত্ব প্রমাণের যে তারা পক্ষপাতহীন, স্বাধীন এবং সকল সদস্যের জন্য সমান।’
‘খেলাধুলা মানুষকে কাছে আনে। কিন্তু যদি রাজনীতি সবকিছুতে এতভাবে জড়িয়ে যায় তাহলে কীভাবে আমরা সামনে এগোতে পারব?’
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত বেশ কিছুদিন ঝুলে ছিল। সোমবার পাকিস্তান সরকার এক্স একাউন্টে করা পোস্টে জানিয়েছে, ‘পাকিস্তান সরকার ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ক্রিকেট দলকে অনুমোদন দিয়েছে। তবে, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।’
নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা জানিয়ে ভারত থেকে নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ। আমলে না নিয়ে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে যুক্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বক্রিকেট সংস্থার এমন আচরণে শুরু থেকেই বাংলাদেশের পাশে ছিল পাকিস্তান। পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকিও দিয়ে রেখেছিলেন। দুদফা দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও পিসিবি চেয়ারম্যানের সভা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পেরেছে তারা।








