যুক্তরাষ্ট্রে রবিবার রাতে বসবে ৯৫ তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ড। বাংলাদেশ সময় ১৩ মার্চ সকাল ৬টায় এই অনুষ্ঠান প্রচার শুরু হবে। অস্কার নিয়ে উত্তেজনার পারদ তাই তুঙ্গে। কে জিতবে আর কার জেতা উচিত তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। একাধিক ছবি আছে আলোচনায়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের অস্কার প্রেডিকশন এক নজরে দেখে নেয়া যাক।
সেরা ছবি
জিতবে: এভরিথিং এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স
জেতা উচিত: দ্য ফ্যাবলম্যানস
কারণ: স্টিভেন স্পিলবার্গের এই ছবিটি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় স্পিলবার্গের শৈশব-কৈশোর ও তার বেড়ে ওঠার গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে। অসাধারণ এই ছবিটি বছরের সেরা ছবির পুরস্কার জেতার যোগ্য।
সেরা নির্মাতা
জিতবে: ড্যানিয়েল কোয়ান ও ড্যানিয়েল শাইনার্ট (এভরিথিং এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স)
জেতা উচিত: টোড ফিল্ড (টার)
কারণ: সেরা নির্মাতার পুরস্কারের যোগ্য ‘টার’ নির্মাতা টোড ফিল্ড। এই দুর্দান্ত থ্রিলার ছবির জন্য সেরা নির্মাতার পুরষ্কারটি তার ঝুলিতেই যাওয়া উচিত।
সেরা অভিনেত্রী
জিতবে: কেট ব্ল্যানচেট (টার)
জেতা উচিত: কেট ব্ল্যানচেট (টার)
কারণ: কেট ব্ল্যানচেট এই ছবিতে ক্যারিয়ারের সেরা অভিনয় করেছেন।
সেরা অভিনেতা
জিতবে: অস্টিন বাটলার (এলভিস)
জেতা উচিত: অস্টিন বাটলার (এলভিস)
কারণ: এবছরের অস্কারে ব্রেন্ডন ফ্রেজারের ‘দ্য হোয়েল’-এর পারফর্মেন্স আলোচনায়। কিন্তু পুরস্কার জেতা উচিত অস্টিন বাটলারের। কারণ ‘এলভিস’ ছবিতে তাঁর অসাধারণ পারফর্মেন্সের রেশ বহুকাল দর্শকের মনে রয়ে যাবে।
সেরা পার্শ্ব-অভিনেতা
জিতবে: কে হুই কোয়ান (এভরিথিং এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স)
জেতা উচিত: ব্যারি কিওগ্যান (দ্য বানশিজ অব ইনিশেরিন)
কারণ: ‘দ্য বানশিজ অব ইনিশেরিন’ ছবিতে ব্যারি কিওগ্যানের অভিনয় ছিল অতুলনীয়।
সেরা পার্শ্ব-অভিনেত্রী
জিতবে: অ্যাঞ্জেলা ব্যাসেট (ব্ল্যাক প্যান্থার: ওয়াকান্ডা ফরেভার)
জেতা উচিত: স্টেফানি সু (এভরিথিং এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স)
কারণ: সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে ‘এভরিথিং এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স’-এর সুযোগ থাকছে দুটি। কারণ ছবিটির জন্য জেমি লি কার্টিসের পাশাপাশি মনোনয়ন পেয়েছেন স্টেফানি সু। তবে দুজনের মধ্যে জেতা উচিত স্টেফানি সু-এর।
সেরা আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম
জিতবে: অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট (জার্মানি)
জেতা উচিত: অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট (জার্মানি)
কারণ: ১৯২৮ সালে প্রকাশিত জার্মান কথাশিল্পী এরিক মারিয়া রেমার্কের উপন্যাস ‘অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে একই নামের ছবিটি। ছবির গল্প প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে তৈরি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বর্বরতা, ভয়াবহতা, সৈনিকদের মানসিক বিপর্যয় তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। যুদ্ধের অমানবিক নৃশংসতা তরুণ সৈনিকদের মনে কত গভীরভাবে দাগ কাটে, তা দেখানো হয়েছে সিনেমায়।
সূত্র: এনওয়াই পোস্ট








