সরকার পদত্যাগ দাবীতে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা তিনদিনের অবরোধ কর্মসূচির আজ দ্বিতীয় দিন। সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচির প্রভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যানবাহনে আগুন, সংঘর্ষ দেখা যায়। এদিকে রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটে আগুন-সংঘর্ষের ঘটনা না ঘটলেও কমেছে যাত্রী চলাচলের সংখ্যা। প্রথম দিনের তুলনায় যাত্রী সংখ্যা একেবারে কম হলেও ঘাটের কার্যক্রম স্বাভাবিক, তবে কমেছে লঞ্চ চলাচল।
বুধবার ১ নভেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পন্টুনে অপেক্ষা করছে লঞ্চ। টার্মিনাল এলাকায় যাত্রীর উপস্থিতি একেবারেই কম। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর অল্প সংখ্যাক যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায় লঞ্চ।
কর্ণফুলী-১৪ লঞ্চের করণিক মিজানুর রহমান বলেন, অবরোধের প্রথম দিনে মাত্র ১৫৫ জন যাত্রী নিয়ে আমরা ভোলায় গিয়েছিলাম। সেখানে আজ যাত্রীর সংখ্যা আরও কম। আগের দিনের অর্ধেক যাত্রীও পাইনি আজ।
পারাবত-১২ এর করণিক মনিরুল ইসলাম বলেন, যেভাবে যাত্রী কমে গেছে লঞ্চ চালানোই সম্ভব না। এভাবে লঞ্চ চালাতে গেলে আরও কয়েক লক্ষ টাকার লস দিতে হবে। গতকাল (মঙ্গলবার) তাও কিছু যাত্রী ঘাটে ছিল। আজ একেবারেই কম।
বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, অবরোধের প্রথম দিনে মঙ্গলবার সারাদিনে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে মোট ৩৫টি লঞ্চ ছেড়ে যায়। আর ঘাটে ভেড়ে মোট ৫২টি লঞ্চ।
বিআইডব্লিটিএ এর যুগ্ম পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, আজ সকালে সদরঘাট থেকে ছয়টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। যাত্রী কম থাকায় নিয়মিত চলাচলকারী আরও পাঁচটি লঞ্চ ঘাট ছেড়ে যায়নি। যেগুলো ছেড়ে গেছে সেগুলোতেও যাত্রীর সংখ্যা ছিল একেবারেই কম।
সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, নৌ পথে যাত্রীরা নিরাপদে যাতায়াত করছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় নৌ পুলিশ সার্বক্ষণিক নদীতে টহল দিচ্ছে। সন্দেহজনক কাউকে দেখা গেলে তল্লাশি করা হচ্ছে।







