ঈদের ঠিক আগে দেশের দুই জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা মহাসড়কের শ্যামগঞ্জে বাস-অটোরিক্সা মুখোমুখি সংঘর্ষে কলেজ ছাত্রসহ অটোরিক্সার ২ জন যাত্রী এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বেপরোয়া গতির বাস চাপায় এক সিএনজি চালক মারা গেছেন।
ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা মহাসড়কে দুর্ঘটনা
পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে একটি অটেরিক্সা ৬/৭ জন যাত্রী নিয়ে স্থানীয় শ্যামগঞ্জ বাজারে আসার পথে উপজেলার গোহালাকান্দা নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী বাসের সাথে মুখোমুখি সংর্ঘষে ঘটনাস্থলে দুই জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম শাকিব খান। সে স্থানীয় ইসবপুর গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে। সে শ্যামগঞ্জ হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের বিএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।
মহাসড়কে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর পর সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ, তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘনাস্থলে পৌছে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে। আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পূর্বধলা উপজেলার গোহালাকান্দা পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিকের সামনে এ মমার্ন্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মঞ্জুরুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘাতক বাসটি এখনো সনাক্ত করা যায়নি। লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ফাঁড়িতে আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মামলা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নিহত ১
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল পৌনে ৯টার দিকে চৌমুহনী পৌরসভাস্থ চৌরাস্তা এলাকার ঢাকা হোটেলের সামনে চট্টগ্রামগামী একটি বাস দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি সিএনজিকে চাপা দেয়। এতে সিএনজি চালক শাহ আলম গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বাস ও দুর্ঘটনার শিকার সিএনজি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে বিনা ময়না তদন্তে লাশ দাফনের জন্য নিহতের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার পরপর বাস চালক পালিয়ে যায়।








